kalerkantho

অবৈধ খননে আমাজনের ক্ষতি মহাকাশ থেকেও দেখা যায়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অবৈধ খননে আমাজনের ক্ষতি মহাকাশ থেকেও দেখা যায়

আমাজন জঙ্গলে অবৈধভাবে খনন কাজ করার জন্য এত ব্যাপক আকারে ক্ষতি হয়েছে যে তা মহাকাশ থেকেও দেখা যায়। আমাজনের ব্রাজিলের সীমানার ভেতরে থাকা অংশে কিছু এলাকায় স্থানীয় নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর মালিকানাধীন জমিতে অবৈধ কার্যক্রম বিপজ্জনক হারে বেড়েছে বলে উঠে এসেছে বিবিসি নিউজ ব্রাজিলের প্রকাশ করা সাম্প্রতিক এক ভিডিওতে।

ব্রাজিল বাদেও দক্ষিণ আমেরিকার সাতটি দেশে ছড়িয়ে রয়েছে আমাজন জঙ্গল। পরিবেশবিদ ও নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর নেতারা মনে করেন, পারা ও রোরাইমা রাজ্যে ব্যাপক হারে বন উজাড় হওয়ার কারণ সেসব জায়গায় অবৈধ খননের বিষয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেয়ার বোলসোনারোর সমর্থন। নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীগুলোর জায়গায় খননকাজ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ব্রাজিলে বিদ্যমান আইনের বিপরীত একটি আইন প্রণয়নে সমর্থন করেন বোলসোনারো। পাশাপাশি বিশ্বের সর্ববৃহৎ রেইনফরেস্টের যথাযথ সংরক্ষণ করা হচ্ছে না—এমন সমালোচনার বিরুদ্ধেও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। ব্রাজিলের রাষ্ট্রীয় সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্পেস রিসার্চ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে আমাজনে বন উজাড় করার হার বৃদ্ধির বিষয়টি উঠে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্য-উপাত্তকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট।

‘যদি আসলেই এত ব্যাপক হারে বন উজাড় করা হতো, তাহলে পুরো জঙ্গলটাই এত দিনে ধ্বংস হয়ে যেত’, গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সামনে এমন বক্তব্য দিয়েছেন বোলসোনারো।

বিবিসি নিউজ ব্রাজিল মার্কিন সংস্থা প্লানেট ল্যাবের কাছ থেকে পাওয়া কিছু ছবি যাচাই করে বন উজাড় করার বিষয়টি প্রকাশ করে। প্লানেট ল্যাবের মহাকাশে এক শটিরও বেশি স্যাটেলাইট আছে, যেগুলো থেকে প্রতিদিন ভূপৃষ্ঠের ছবি পাওয়া যায়। নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত তিনটি এলাকা—যেসব এলাকায় সোনা পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে ধারণা করা হয়—অবৈধ খনন কার্যক্রমের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য