kalerkantho

রবিবার । ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৩ ফাল্গুন ১৪২৬। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সুদানে সেনা কাউন্সিল ও বিরোধীদের মধ্যে চুক্তি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুদানে সেনা শাসক ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির ব্যাপারে ঐতিহাসিক এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল বুধবারের এ চুক্তির ফলে দেশটিতে প্রথম বেসামরিক প্রশাসন সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হলো। তিন মাস আগে সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশির ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই বিক্ষোভকারীরা বেসামরিক প্রশাসনের জোরালো দাবি জানিয়ে আসছিল। এ চুক্তির ফলে দেশটিতে অনেক দিন ধরে চলা রাজনৈতিক সংকটের অবসান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সেনা জেনারেলদের পক্ষ থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন সামরিক পরিষদের উপপ্রধান জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো। বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সুদানের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি। এর মাধ্যমে দেশের সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) ও অভ্যুত্থানের নেতাদের মধ্যে নতুন ও সম্ভাবনাময় একটি যুগের সূচনা হলো।’

বিক্ষোভকারীদের পক্ষ চুক্তিতে স্বাক্ষর করা ইব্রাহিম আল আমিন গতকাল বুধবার বলেন, ‘আজ আমরা রাজনৈতিক ঘোষণার চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছি।’ এর আগে মঙ্গলবার রাজধানী খার্তুমের একটি বিলাসবহুল হোটেলে চুক্তির খুঁটিনাটি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রাতভর আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে এএফপি।

চুক্তি অনুযায়ী, সরকার পরিচালনার নতুন কমিটির স্থায়িত্ব হবে তিন বছরের বেশি। কমিটিতে পাঁচ সেনা প্রতিনিধি এবং ছয়জন বেসমারিক প্রতিনিধি থাকবেন। বেসামরিক প্রতিনিধিদের মধ্যে পাঁচজনই ‘অ্যালায়েন্স ফর ফ্রিডম অ্যান্ড চেঞ্জ’-এর সদস্য। প্রথম ২১ মাস পরিষদপ্রধানের দায়িত্বে থাকবেন একজন জেনারেল। আর পরবর্তী ১৮ মাস পরিষদপ্রধান হবেন একজন বেসামরিক ব্যক্তি। তিন বছর পর কমিটির মেয়াদ শেষ হলে দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ওমর আল-বশির ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই সুদানে সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গত ৩ জুন খার্তুমে বিক্ষোভকারীদের ওপর সেনা হামলার পর এ বিরোধ চরমে পৌঁছে। ওই হামলার ঘটনায় অন্তত ছয় বিক্ষোভকারী নিহত ও শতাধিক আহত হয়। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা