kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

আধুনিক দাসপ্রথায় বন্দি চার কোটি মানুষ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আধুনিক দাসপ্রথার ইতি টানার বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হবে না বলেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে এ প্রথা বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত হয়েছিল জাতিসংঘে। চার বছর আগের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হলে আগামী দশকে প্রতিদিন ১০ হাজার ভুক্তভোগীকে মুক্ত করতে হবে। গতকাল বুধবার প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ মূল্যয়ন উঠে এসেছে। অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক দাসপ্রথাবিরোধী সংগঠন ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশন এ গবেষণা পরিচালনা করে।

ওয়াক ফ্রি ও ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের (আইএলও) তথ্য বলছে, বর্তমানে চার কোটিরও বেশি মানুষ আধুনিক দাসপ্রথায় বন্দি। এসব মানুষ বলপূর্বক শ্রম কিংবা বিয়েকে মেনে নিচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এ প্রথা বিলুপ্তির প্রস্তাব জাতিসংঘে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত যে অগ্রগতি, তাতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা অসম্ভব। আর এ অসম্ভবকে সম্ভব করতে হলে আগামী দশকে প্রতিদিন ১০ হাজার মানুষকে মুক্ত করতে হবে।

ওয়াক ফ্রির গবেষণা ব্যবস্থাপক ক্যাথরিন ব্রায়ান্ট বলেন, ‘বর্তমানে যে অগ্রগতি, তাতে ২০৩০ সালের মধ্যে দাসপ্রথা বিলুপ্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব নয়।’

ওয়ার্ক ফ্রির গবেষণায় ১৮৩টি দেশের ‘দাসপ্রথা ব্যবস্থা’ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তাতে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি দেখা গেছে উত্তর কোরিয়া ও ইরিত্রিয়ায়; যেখানে বলপূর্বক শ্রমে সরকারই সহযোগিতা করে থাকে। দাসত্বের অচলায়তন ভাঙতে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার তালিকায় আছে লিবিয়া, ইরান, বিষুবীয় গিনি, বুরুন্ডি, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, কঙ্গো, রাশিয়া ও সোমালিয়ার নাম। সম্পদশালী দেশ হয়েও সামান্য পদক্ষেপ নেওয়ার তালিকায় আছে কাতার, সিঙ্গাপুর, কুয়েত, ব্রুনেই ও রাশিয়ার নাম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আনুমানিক এক কোটি ৬০ লাখ মানুষ বলপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত থাকলেও মাত্র ৪০টি দেশ এ নিয়ে তদন্ত করছে। সূত্র : রয়টার্স।

মন্তব্য