kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩০ জানুয়ারি ২০২০। ১৬ মাঘ ১৪২৬। ৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

১১ বিধায়কের পদত্যাগ

কর্ণাটকে টালমাটাল জোট সরকার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকারে ভাঙন ধরেছে। গতকাল শনিবার কংগ্রেসের আটজন ও জেডিএসের তিনজন বিধায়ক স্পিকারের কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এ সময় স্পিকার কার্যালয়ে ছিলেন না। আর মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী যুক্তরাষ্ট্রে ছুটি কাটাচ্ছেন। এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে বিধায়ক ও জোট সদস্যদের নিয়ে জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বর ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিবকুমার।

বিধানসভার স্পিকার রমেশ কুমার বলেন, ‘পারিবারিক কারণে আমি বাড়িতে অবস্থান করছিলাম। পদত্যাগে ইচ্ছুকদের আবেদন গ্রহণ করে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র দিতে আমার দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছি। আজ রবিবার বন্ধ থাকায় সোমবার (আগামীকাল) তাঁদের সঙ্গে বসব।’

এর আগে গত সোমবার কংগ্রেসের দুই বিধায়ক আনন্দ সিং ও রমেশ জারকিহোলি পদত্যাগপত্র জমা দেন। যদিও তাঁদের আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো গ্রহণ করা হয়নি। ২২৪ আসনের এ রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ১১৩ আসনের প্রয়োজন। কংগ্রেস (৭৯) ও জেডিএসের (৩৭) মিলিয়ে বর্তমানে মোট আসন আছে ১১৬টি। এর বাইরে বিএসপির একজন ও স্বতন্ত্র একজনের সমর্থন আছে। ১৪ জন বিধায়ক পদত্যাগ করলে এ জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে। ২০১৮ সালের মে মাসে কংগ্রেস ও জেডিএসের জোট সরকার গঠনের পর থেকেই অস্থিরতা চলে আসছে।

পদত্যাগ প্রসঙ্গে স্পিকারের কার্যালয়ে কংগ্রেসের রামলিঙ্গ রেড্ডি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি পদত্যাগপত্র জমা দিতে এসেছি।আমি আমার দল বা শীর্ষ নেতাদের দোষারোপ করব না। আমার মনে হয়েছে, বিভিন্ন বিষয়ে আমাকে অবহেলা করা হয়েছে। ’ কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার সব সময় তাঁর দল কংগ্রেসে একতা ধরে রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বিজেপি নেতা জি ভি এল নরসিমা রাও বলেন, ‘বিজেপি-জেডিএস জোট কর্ণাটকের জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। লোকসভার নির্বাচনে ওই জোটের বিপরীতে বিজেপি নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। এর মাধ্যমেই জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে। জোটের বিরুদ্ধে জনরোষের মুখে পড়ছেন বিধায়করা।’ সূত্র : এনডিটিভি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা