kalerkantho

বুধবার । ২৯ জানুয়ারি ২০২০। ১৫ মাঘ ১৪২৬। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেল ব্যাবিলন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেল ব্যাবিলন

ঐতিহ্য আগে থেকেই ছিল; এবার মিলল বিশ্বস্বীকৃতি। মেসোপটেমিয়ার প্রাচীন শহর ব্যাবিলনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ ঘোষণা করেছে ইউনেসকো। ইরাক সরকার বলছে, ব্যাবিলন শহর এবং মেসোপটেমিয়ান সভ্যতার যে গুরুত্ব রয়েছে, তা এবার বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃতি পেল।

চার হাজার বছরের পুরনো এই শহরটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে ১৯৮৩ সাল থেকে তদবির করে আসছে ইরাক সরকার। বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি—ঝুলন্ত উদ্যান এই ব্যাবিলন শহরেই অবস্থিত। তবে বেশ কয়েকটি কারণে শহরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমত দেশটির সাবেক শাসক সাদ্দাম হুসেইনের জন্য প্রাসাদ বানাতে গিয়ে এর অনেক অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়ে। পরবর্তী সময়ে শহরটিতে একটি সামরিক ঘাঁটিও স্থাপন করা হয়। এর বাইরে ২০০৫ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলাও শহরটির অনেক ঐতিহ্যকে ধ্বংস করে।

ইউনেসকো তাদের ঘোষণাপত্রে বলেছে, ‘হামুরাবি ও নেবুচাদনেজারের মতো শাসকদের হাত ধরে ব্যাবিলন শহর সৃজনশীলতার এক প্রতীক হয়ে উঠেছে। ঝুলন্ত উদ্যানও শহরটিকে নিয়ে গেছে নতুন এক উচ্চতায়।’ ইউনেসকো সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ‘নানা কারণে ব্যাবিলনের ঐতিহ্য হুমকির মুখে পড়েছে। শহরটি রক্ষা করা খুবই জরুরি।’

কোন কোন স্থাপনাকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সম্প্রতি আজারবাইজানে বৈঠকে বসে জাতিসংঘের ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটি’। ওই বৈঠকেই ব্যাবিলনসহ ছয়টি স্থাপনাকে এবার বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাকি পাঁচটি হলো—বুরকিনা ফাসোর প্রাচীন ‘ফেরাস মেটালার্জি সাইটস’, ব্রাজিলের সাংস্কৃতিক নিদর্শন ‘প্যারাতি অ্যান্ড ইলহা গ্র্যান্ডে’, আইসল্যান্ডের ‘ভাতনাজোকুল ন্যাশনাল পার্ক’, ফ্রান্সের ‘ফ্রেন্স অস্ট্রাল ল্যান্ডস অ্যান্ড সিস’ এবং আলবেনিয়ার ‘ন্যাচারাল অ্যান্ড কালচারাল হেরিটেজ’।

সূত্র : বিবিসি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা