kalerkantho

সোমবার । ২৬ আগস্ট ২০১৯। ১১ ভাদ্র ১৪২৬। ২৪ জিলহজ ১৪৪০

পুতিন বলেছেন

মস্কো-ওয়াশিংটন সম্পর্ক দিন দিন খারাপই হচ্ছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে অবনতির দিকে যাচ্ছে। বতর্মান মার্কিন প্রশাসন একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

রাশিয়ান চ্যানেল মিরটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশটির প্রেসিডেন্টের এ অভিমত উঠে এসেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি প্রকাশিত হয়েছে। চলতি মাসের শেষে জাপানে অনুষ্ঠেয় জি-২০ সম্মেলনের আগে রুশ প্রেসিডেন্ট এ হতাশাজনক মন্তব্য করলেন। ওই সম্মেলনের ফাঁকে তাঁর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

সিরিয়া থেকে ইউক্রেন ইস্যুতে রুশ হস্তক্ষেপের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েন চলছে বলে ওয়াশিংটন দাবি করে আসছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছে রাশিয়া।

পুতিন বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক দিন দিন খারাপ থেকে আরো খারাপ হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মার্কিন প্রশাসন কয়েক ডজন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

রুশ এই নেতা মনে করেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তিক্ত সম্পর্কের কারণেই বেইজিংয়ের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে। পুতিন আশা প্রকাশ করে বলেন, জাপানে জি-২০ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন। তবে এর এক দিন আগে ক্রেমলিন জানায়, সম্ভাব্য ওই বৈঠক আদৌ হবে কি না তা এখনো পরিষ্কার নয়।

গত বুধবার ট্রাম্প বলেন, তিনি আশা করেন, রাশিয়ার সঙ্গে সযুক্তরাষ্ট্রের ‘দারুণ সম্পর্ক’ অব্যাহত থাকবে। তবে পোল্যান্ডে এক হাজার সৈন্য মোতায়েনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। রাশিয়ার সম্ভাব্য আগ্রাসন প্রতিরোধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

এদিকে বুধবার মস্কোর জন্য আরো একটি ‘বেদনাদায়ক’ খবর দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তাঁর ভাষ্য, রাশিয়ার নর্ড স্ট্রিম টু প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন। একই সঙ্গে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেছেন, জ্বালানির জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে জার্মানি।

অবশ্য সম্পর্ক নিয়ে নতুন আশার আলো দেখছেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘আমরা সত্যিই আশা করি দিন শেষে একটা ভালো সম্পর্ক তৈরি হবে। যুক্তরাষ্ট্রসহ আমাদের সব অংশীদার জি-২০-এ একটি গঠনমূলক কাঠামো তৈরির আশা করি, যাতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা স্থিতিশীল থাকে।’

সূত্র : রয়টার্স।

মন্তব্য