kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

অসাবধানতা না অতি উৎসাহ?

যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো অভিবাসন চুক্তি ফাঁস করলেন ট্রাম্প

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘অসাবধানতাবশত’ যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো অভিবাসন চুক্তির বেশ কিছু অংশ প্রকাশ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, মধ্য আমেরিকান অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ঠেকাতে মেক্সিকোর গ্রহণ করা পদক্ষেপ যদি আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে কোনো ফল বয়ে আনতে না পারে তাহলে তারা আরো কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় একটি কাগজও দেখান ট্রাম্প। এটিই গত শুক্রবার দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র বলে জানান তিনি। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত করারোপ থেকে রক্ষা পেতেই এ চুক্তিতে সম্মত হয়েছে মেক্সিকো।

চুক্তির একটি ছবিও প্রকাশ পেয়ে গেছে। এতে দেখা যায়, যদি মেক্সিকোর নেওয়া পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট না হয় তাহলে তারা অভ্যন্তরীণ আইনে কিছু পরিবর্তন আনবে। এরই মধ্যেই মেক্সিকো সীমান্তে অতিরিক্ত ছয় হাজার সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে।

চুক্তির নথিতে বলা হয়েছে, আগামী ৪৫ দিন পর মেক্সিকোর গ্রহণ করা পদক্ষেপে কাজ হচ্ছে না বলে যদি মনে করে যুক্তরাষ্ট্র তাহলে ‘মেক্সিকো সরকার তাদের অভ্যন্তরীণ আইনানুসারে এই চুক্তি কার্যকর করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’ ওই পরিস্থিতিতে মেক্সিকোকে আরো ৪৫ দিনের সময় দেবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে মেক্সিকো সরকার ঠিক কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।

ওয়াশিংটন গত সপ্তাহে জানায়, তারা চায় মেক্সিকো ‘নিরাপদ তৃতীয় দেশ’ হিসেবে থাকতে সম্মত হোক। এই ব্যবস্থায় অভিবাসীরা মেক্সিকোতে ঢোকার পরই যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের জন্য আবেদন করবে। সেখানেই তাদের আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রাথমিক চুক্তিতে মেক্সিকো অতীতে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিল সেগুলোই পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে ট্রাম্পের দাবি, এই চুক্তির একটি গোপন অংশও রয়েছে। তিনি গত মঙ্গলবার বলেন, ‘মেক্সিকো সীমান্ত দুর্দান্ত কাজ করছে। তারা কঠোর পরিশ্রম করছে। আমরা একসঙ্গে সাফল্য পাচ্ছি। আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো।’

মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মর্সেলো এববার্ড অবশ্য চুক্তির গোপন অংশ থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। ওয়াশিংটনে মেক্সিকোর আলোচনা দলের নেতৃত্ব তিনিই দেন। মেক্সিকো সিটিতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যা আছে এখানেই আছে। এর বাইরে আপনি কোথাও আর কিছু পাবেন না। চুক্তিতে বলা হয়েছে, অভিবাসনপ্রত্যাশীরা যে দেশে প্রথমে প্রবেশ করবে সেখান থেকেই তাদের আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র : এএফপি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা