kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

তিন দশক আগের ধর্ষণ মামলা

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষ উসকে দেওয়ার অভিযোগ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে নিরপরাধ পাঁচ কিশোরকে ধর্ষণের দায়ে কারাবরণ করতে হয়েছিল ৩০ বছর আগে। সে ঘটনায় আগুন আরো উসকে দিয়েছিলেন তৎকালীন অন্যতম ধনকুবের আবাসন ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সেই বিতর্কিত ভূমিকা আবার আলোচনায় এসেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা নেটফ্লিক্সের প্রামাণ্যচিত্রের জেরে।

সেন্ট্রাল পার্ক ফাইভ শীর্ষক মামলায় ১৯৮৯ সালে চার কৃষ্ণাঙ্গ ও এক হিস্প্যানিক কিশোরকে ছয় থেকে ১৩ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয় আদালত। ২৮ বছর বয়সী শ্বেতাঙ্গ নারী ট্রিশা মেইলিকে ধর্ষণ করে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগে তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অথচ ঘটনাস্থল ও মেইলির শরীর থেকে পাওয়া ডিএনএর সঙ্গে অভিযুক্ত পাঁচ কিশোরের কারো ডিএনএ মেলেনি।

তিন দশক আগে চরম বর্ণবিদ্বেষী পরিস্থিতির মধ্যে যখন ওই কিশোরদের ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত করা হয়, তখন ট্রাম্প বেশ কয়েকটি পত্রিকার পুরো এক পাতা জুড়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানান। শুধু তা-ই নয়, অভিযুক্তদের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বরও প্রকাশ করে দেন তিনি। অথচ পরে এক সিরিয়াল ধর্ষক স্বীকার করেছিল, সে একা মেইলিকে ধর্ষণ করে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে গিয়েছিল। তত দিনে পাঁচ কিশোর সাজা খেটে ফেলেছে। প্রকৃত ধর্ষকের স্বীকারোক্তির পর অবশ্য তাদের অভিযোগ থেকে রেহাই দিয়ে ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়।

ট্রাম্পের ওই কাণ্ডের জেরে অভিযুক্তদের কী দশা হয়েছিল, সেটা তুলে ধরে তাদের একজন ইউসেফ সালাম বলেন, ‘ট্রাম্প যখন নিউ ইয়র্ক শহরের পত্রিকাগুলোয় পুরো পাতা বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছিলেন, মনে হচ্ছিল বাড়িতে ঢুকে আমাদের টেনে-হিঁচড়ে বের করে নিয়ে সেন্ট্রাল পার্কের গাছে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেওয়া হবে।’ লস অ্যাঞ্জেলেসে গত শুক্রবার আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন ওই পাঁচ ব্যক্তিকে সম্মাননা দেওয়ার জন্য যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, সেখানেই এসব অভিজ্ঞতার কথা জানান সালাম। সূত্র : এএফপি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা