kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ভারতে ফের জঙ্গি হামলা হলে বিপদে পড়বে পাকিস্তান

যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দ্রুত, দীর্ঘমেয়াদি ও প্রমাণসাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাকিস্তানের ওপর চাপ আরো বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টিকে লঘু করে দেখলে পাকিস্তানকে যে তার খেসারত দিতে হবে, সে ব্যাপারেও সতর্ক করে দিল ওয়াশিংটন।

হোয়াইট হাউসের এক পদস্থ কর্মকর্তা গত বুধবার বলেছেন, ‘আবারও যদি ভারতের ওপর আঘাত হানে সন্ত্রাসবাদীরা আর জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার মতো সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে কোনো দীর্ঘমেয়াদি ও ফলপ্রসূ পদক্ষেপ করতে না পারে ইসলামাবাদ, তাহলে পাকিস্তানের পক্ষে পরিস্থিতিটা অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠবে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র চায় না, কোনো সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাক।’

ওয়াশিংটন কী চাইছে, তা স্পষ্ট করে দিয়ে হোয়াইট হাউসের ওই পদস্থ কর্তা বলেছেন, যেটা সবারই কাম্য তাহলো, নিজেদের ভূখণ্ডে ঘাঁটি গেড়ে থাকা জইশ ও লস্কর জঙ্গিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি ও ফলপ্রসূ ব্যবস্থা নিক ইসলামাবাদ। আর সেটা হোক প্রমাণসাপেক্ষে। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘পাকিস্তানে জঙ্গি ঘাঁটিগুলোকে পুরোপুরি নির্মূল করা প্রয়োজন। দেখা উচিত সেগুলোতে যেন ফের ঘাঁটি না গাড়তে পারে সন্ত্রাসীরা।’ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ইমরান সরকারের চালানো অভিযানে যে ওয়াশিংটন সন্তুষ্ট নয়, তা বুঝিয়ে দিয়ে হোয়াইট হাউসের ওই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘যা যা হয়েছে, সেই সবই খুব প্রাথমিক স্তরের। জনাকয়েক জঙ্গির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কয়েকজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জইশের কয়েকটি ঘাঁটির ওপর সরকারি কর্তৃত্ব কায়েম করেছে ইসলামাবাদ। এই টুকুই। কিন্তু আমরা আরো কিছু সদর্থক ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা দেখতে চাইছি। কারণ আমরা দেখেছি, আগে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কিছু দিন পর তারা ছাড়াও পেয়ে গিয়েছে। তারা পাকিস্তানে নানা জায়গায় স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এমনকি জনসমাবেশে গিয়ে ভাষণও দিতে পারছে তারা।’ সূত্র : পিটিআই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা