kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

আসামে বিরোধ মিটিয়ে চাঙ্গা বিজেপি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতে আগামী মাসে লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে জোর প্রচার। ভোটযুদ্ধে জয় পেতে নীতি-স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে জোট গড়ার বিষয়টি রাজনীতিতে মোটেই নতুন কিছু নয়। তাই সাফল্যকেই সর্বোচ্চ প্রয়োজন বলে বিবেচনা করে মাস দুয়েক আগেই কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া আসাম গণপরিষদ (এজিপি) আবার জোটে ফিরছে। বিজেপির সঙ্গে তাদর মূল বিরোধ ছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে। ওই বিলটিকে এড়িয়ে গিয়েই বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধল তারা।

যদিও এই বিল নিয়ে এখনো ক্ষুব্ধ হয়ে রয়েছে গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত। এই বিল লোকসভায় আনার সঙ্গে সঙ্গেই রাস্তায় নেমেছিল ওই অঞ্চলের বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল। বিলের প্রতিবাদে এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল এজিপি। লোকসভার সময়সূচি ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অবশ্য বদলে গেছে সেই বিরোধের চিত্র। গুয়াহাটিতে গত মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত বৈঠকের পর ফের পুরনো বন্ধু এজিপির সঙ্গে আগামী লোকসভা ভোটে গাঁটছড়া বাঁধার কথা জানাল বিজেপি।

এজিপির মান ভাঙাতে মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে দিনভর বৈঠক করেন বিজেপি নেতা রাম মাধব। ম্যারাথন বৈঠকের পর মাঝরাতে মেলে সমাধানসূত্র। গভীর রাতে বিজেপি নেতা রাম মাধব জানান, আগামী লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে হারাতে বিজেপি এবং এজিপি জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেয়। এজিপি ছাড়াও জোটসঙ্গী বোড়ল্যান্ড পিপলস ফ্রন্টকেও (বিপিএফ) পাওয়ার কথা জানিয়েছে বিজেপি।

রাম মাধব বলেন, ‘সত্যিই একটা কষ্টসাধ্য দিন গেল।’ কারণ বিজেপি আগেই বলেছে, ক্ষমতায় ফিরলে তারা ফের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে পার্লামেন্টে উদ্যোগী হবে। অন্যদিকে এই বিলের বিরুদ্ধে কট্টর অবস্থান নিয়েছে উত্তর-পূর্বের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতো এজিপিও। বাংলাদেশ-আফগানিস্তান-পাকিস্তানের মতো প্রতিবেশী দেশ থেকে ভারতে যাওয়া অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দিতেই এই বিল আনতে চেয়েছিল কেন্দ্র। সূত্র : দ্য হিন্দু, আনন্দবাজার পত্রিকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা