kalerkantho

বুধবার । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২ ডিসেম্বর ২০২০। ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন আরবের মেয়েরা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইয়েমেনের মেয়েদের সমাজে একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা রয়েছে, আর তা হলো বাড়িতে থেকে সংসার ও সন্তানের দেখাশোনা করা দেশটির মাত্র ৩ শতাংশ নারী কর্মজীবী। শুধু ইয়েমেন নয়, আরব দেশগুলোর সর্বত্রই পেশাক্ষেত্রে পুরুষের আধিপত্য লক্ষণীয়।

বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষায় জানা গেছে, সৌদি আরবের ১২ শতাংশ মেয়ে পেশাজীবী। তবে সে তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থা ভালো। দেশটির মেয়েদের মধ্যে অর্ধেকই কর্মজীবী। তবে সমগ্র আরব জগতে মাত্র এক-তৃতীয়াংশ নারীর নিজস্ব উপার্জন রয়েছে, যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৬২ শতাংশ মেয়ে অর্থ উপার্জন করে থাকে।

আরব ইন্টারন্যাশনাল উইমেন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা হাইফা ফাহোউম আল কাইলানি এ প্রসঙ্গে বলেন, এ অবস্থা থেকে এখন বের হয়ে আসতে হবে আরবের মেয়েদের। তাঁর ভাষায়, ‘আরব বিশ্ব অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক দিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে না, যদি জনসংখ্যার অর্ধেককেই বাইরে রাখা হয়। বিশাল এই জনসম্পদের অপচয় রোধ করতে হবে।’

বাহরাইনের নারী ব্যবসায়ী আফনান রাসিদ আল জায়ানি বলেন, তাঁর দেশ সুশিক্ষিত ও সক্রিয় নারী কর্মীর ওপর নির্ভরশীল। বাহরাইনের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি অভিবাসী। অর্থাৎ প্রকৃত বাহরাইনিরা স্বদেশেই সংখ্যালঘু। কর্মক্ষেত্রেও বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কর্মজীবীদের মাত্র ২৩ শতাংশ বাহরাইনি। অর্জিত অর্থের বিরাট অংশ বাইরে চলে যায়। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা শ্রমিকরা তাঁদের আয়ের একটা বড় অংশই স্বদেশে পাঠিয়ে দেন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই ধরনের ক্ষতি কমিয়ে আনার জন্য বাহরাইনের মেয়েদেরও শ্রমবাজারে ঢুকতে হবে। এখন ৮ শতাংশ বাহরাইনি মেয়ে পরিবারের বাইরে কাজ করে অর্থ উপার্জন করে। মেয়েরা আরো বেশি করে কর্মজগতে প্রবেশ করলে দেশের অর্থ দেশেই থাকবে। এ ছাড়া বাহরাইনিদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে।  সূত্র : ডয়চে ভেলে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা