kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

মালয়েশিয়ায় উপনির্বাচনে হারল মাহাথিরের জোট

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট পাকাতান হারাপান দেশটির সেলাঙ্গর রাজ্যের একটি আসনের উপনির্বাচনে হেরে গেছে। শনিবারের ওই ভোটে পাকাতান হারাপানের প্রার্থী মোহাম্মদ আয়নাল জায়মানি এক হাজার ৯১৪ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক বিজয়ের এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এ হার ক্ষমতাসীনদের কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়িয়ে তুলবে বলে ধারণা করছেন পর্যবেক্ষকরা।

প্রধানমন্ত্রী মাহাথির উপনির্বাচনে তাঁদের প্রার্থীর হারের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, কেন তাঁদের প্রার্থী হেরেছেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে বিরোধী উমনো পার্টি ও পার্টি ইসলামসে মালয়েশিয়া (পিএএস) জোটবদ্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে লড়েছে। এ বিষয়টি বিরোধীদের জয় পাওয়ার একটি কারণ হতে পারে বলে তিনি মনে করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা কেন হেরেছি সেটা আমাদের খুঁজে দেখতে হবে।’

গত বছরের মে মাসে অনুষ্ঠিত মালয়েশিয়ার সাধারণ নির্বাচনে সেমেনির এ আসনটিতে জয় পেয়েছিল ক্ষমতাসীন জোট। কিন্তু জানুয়ারিতে ওই আসনের সংসদ সদস্যের মৃত্যু হয়। শূন্য আসনটিতে উপনির্বাচনের ভোট হয় শনিবার।

সেমেনির আসনে বিজয়ী হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের নেতৃত্বাধীন বারিসন ন্যাসিওনালের প্রার্থী জাকারিয়া হানাফি। মালয়েশিয়ার সবচেয়ে পুরনো এই দল গত বছরের নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিল। এর আগে ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল তারা।

অর্থনৈতিক সংস্কার এবং ইসলাম রক্ষা ও সংখ্যাগরিষ্ঠ মালয় সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও দ্রুত সেগুলো কার্যকর না করতে পারায় সমালোচনার মুখে পড়েছে মাহাথিরের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট। উপনির্বাচনে এ হার পাকাতান হারাপানের জন্য একটি ধাক্কা। স্বাধীন জরিপ প্রতিষ্ঠান মেরদেকা সেন্টারের তথ্যানুযায়ী, গত বছরের জাতীয় নির্বাচনে পাকাতান হারাপান সংখ্যালঘু চীনা ও ভারতীয় সম্প্রদায়ের বিপুল সমর্থন পেলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ মালয় সম্প্রদায়ের মাত্র ৩০ শতাংশ ভোট টানতে পেরেছিল।

ব্যবসা, শিক্ষা ও গৃহায়ণের ক্ষেত্রে যে সুবিধা পেত, নতুন সরকার তা তুলে নিতে পারে—এমন শঙ্কা সংখ্যাগরিষ্ঠ এ সম্প্রদায়ের একটি অংশের মধ্যে কাজ করছে। নির্বাচনের পর থেকে ওই সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষমতাসীনদের জনপ্রিয়তা কমছে— জরিপে এমন আভাস পাওয়া গেছে। সূত্র : রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা