kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সৌদি তরুণীর পালানো

শরণার্থীদের আশ্রয়ের বিষয়ে নতুন করে ভাবছে থাইল্যান্ড

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মদকে আটকের ঘটনায় বড় শিক্ষা হয়েছে থাইল্যান্ডের। আশ্রয়প্রার্থী এই তরুণীকে আশ্রয় না দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী দেশটি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা ছড়িয়ে পড়েছে। থাইল্যান্ডে কাউকে আশ্রয় দেওয়া হয় না—এমন ধারণা পৌঁছে দিয়েছে। গত বুধবার থাইল্যান্ডের অভিবাসনপ্রধান জানিয়েছেন, দেশে ফিরতে অনিচ্ছুক কাউকে আর জোর করে দেশে ফেরত পাঠানো হবে না।

অভিবাসী বিষয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে থাইল্যান্ড চুক্তিবদ্ধ কোনো দেশ নয়। এ ছাড়া অভিবাসীদের দীর্ঘদিন আটক রাখা বা দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার হতে পারে বা আরো কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে পারে, এমন অবস্থায় তাদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার বেশ কিছু ঘটনায় থাইল্যান্ড এর আগে সমালোচনার মুখে পড়েছে। কিন্তু সেসব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে তেমন করে আসেনি। এ মাসের শুরুতে সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মদ পালিয়ে ব্যাংককে পৌঁছলে শাস্তির ভয়ে দেশে ফিরতে অস্বীকৃতি জানান। জোর করে তাঁকে দেশে ফেরত পাঠাতে চাইলে তিনি নিজেকে বিমানবন্দরের এক হোটেলে অবরুদ্ধ রেখে টুইটারের মাধ্যমে অন্য দেশে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় একপর্যায়ে তাঁকে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি কানাডায় আশ্রয় পান। গত শনিবার কানাডায় পৌঁছানোর পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানান।

রাহাফ মোহাম্মদের বিষয়টি থাইল্যান্ডের জন্য একটি নজিরবিহীন ঘটনা এবং পুরো বিষয় অভিবাসনপ্রধান সুরাচাতে হাকপার্ন দেখাশোনা করেছেন। শরনার্থী বিষয়ে আচরণ কেমন হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা নতুন পদক্ষেপ নেব। এখন থেকে কোনো অভিবাসী যদি দেশে ফিরে না যেতে চায়, তাহলে তাদের ফেরত পাঠানো হবে না। সূত্র : এএফপি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা