kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১       

‘উন-ট্রাম্প পারলে অন্যরা কেন পারবে না’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সার্ক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার আবার জোর তাগিদ দিয়েছে নেপাল। কাঠমাণ্ডু মনে করে, আলোচনার মাধ্যমে মতবিরোধ মেটাতে হবে। আর সন্ত্রাসের মতো আঞ্চলিক অভিন্ন সমস্যাগুলো এই সংস্থার উচিত যৌথভাবে মোকাবেলা করা।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ কুমার গিয়াওয়ালি গত বছরের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে সিঙ্গাপুরে বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ‘যদি ট্রাম্প ও উন দেখা করতে পারেন, তাহলে অন্য দেশ কেন পারবে না?’ নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এবার পাকিস্তানের সার্ক সম্মেলন আয়োজনের কথা। তবে পাকিস্তান সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসে মদদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে ভারত সম্মেলনে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। ২০১৬ সালে ইসলামাবাদে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে সে বছরই ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের একটি সেনাঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা হওয়ার পর ভারত ওই সম্মেলনে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর ভুটান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানও ওই সম্মেলনে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানালে সম্মেলন স্থগিত করা হয়।

গিয়াওয়ালি বলেন, ‘সংলাপ ছাড়া মতপার্থক্য মেটানোর আর কোনো পথ নেই। আমরা যে সংকটের মোকাবেলা করছি তা এককভাবে সমাধান করা সম্ভব না। আমাদের একসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন বা সন্ত্রাসের মতো সংকটগুলো মোকাবেলা করতে হবে।’

গত বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে তাঁর মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাত্ করেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। গতকাল গিয়াওয়ালি বলেন, শিগগির সম্মেলন হবে বলে তিনি আশাবাদী।

সার্ক দ্বিবার্ষিক সম্মেলন। ইংরেজি অক্ষরের ক্রম অনুসারে একেকবার একেক সদস্য দেশে অনুষ্ঠিত হয়। সব শেষ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালে কাঠমাণ্ডুতে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা