kalerkantho

সৌদি তরুণীর টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ

আশ্রয় নিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার সঙ্গে আলোচনা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সৌদি তরুণীর টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ

পরিবারের কাছ থেকে থাইল্যান্ডে পালিয়ে আসা সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মদ আল-কুনুনের (১৮) আশ্রয় প্রার্থনার বিষয়ে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ বেশ কয়েকটি দেশের আলোচনা হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার থাইল্যান্ডের অভিবাসন পুলিশের প্রধান সুরাশাতে হাকপার্ন এ তথ্য জানিয়েছেন। এদিকে ‘প্রাণনাশের হুমকি’ থাকায় টুইটার অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ডিঅ্যাক্টিভ করেছেন রাহাফ।

হাকপার্ন বলেন, সৌদি তরুণীর আশ্রয়ের বিষয়ে জাতিসংঘ জোর তৎপরতা চালাচ্ছে। তবে এ প্রক্রিয়া কবে নাগাদ সম্পন্ন হবে এ বিষয়ে তিনি কোনো ইঙ্গিত দেননি।

পরিবারের অতি রক্ষণশীলতার হাত থেকে মুক্তির ফন্দি আঁটেন রাহাফ। সম্প্রতি তিনি পরিবারের সঙ্গে কুয়েত ভ্রমণে যান। সেখান থেকে গত সপ্তাহে তিনি অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা হন। থাইল্যান্ডে বিমান যাত্রাবিরতির সময় বিপত্তিতে পড়েন রাহাফ। সেখানে তাঁর পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাঁকে কুয়েতে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করেন থাই অভিবাসন কর্মকর্তারা। তবে ‘আত্মরক্ষার্থে’ সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরের হোটেল কক্ষের দরজায় ব্যারিকেড দেন রাহাফ। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার সহায়তা চেয়ে টুইটারে ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। এরপর সৌদি ওই তরণীকে নিজেদের জিম্মায় নেয় ইউএনএইচসিআর। জাতিসংঘের এ সংস্থা গত বুধবার রাহাফকে শরণার্থী মর্যাদা দেয়।

টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ : এদিকে গতকাল টুইটার অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভ করেছেন রাহাফ। মূলত এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই তিনি বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলেছিলেন। তাঁর বন্ধুদের দাবি, প্রাণনাশের হুমকির কারণেই রাহাফ তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে শেষ পোস্টে রাহাফ বলেন, ‘আমার কিছু সুসংবাদ আছে। আবার কিছু দুঃসংবাদও আছে।’ এর কিছুক্ষণ পর তাঁর অ্যাকাউন্ট বন্ধ পাওয়া যায়। মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় ওই অ্যাকাউন্টে এক লাখ ফলোয়ার যোগ হয়।

সূত্র : এপি, এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা