kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

তাইওয়ানের কাছে সামরিক সরঞ্জাম বেচবে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের তীব্র অসন্তোষ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাণিজ্যবিরোধের পাশাপাশি তাইওয়ান ইস্যুতে নতুন করে তিক্ততা তৈরি হয়েছে বিশ্বের দুই পরাশক্তি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে। তাইওয়ানের কাছে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির যে সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটন নিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার তার কঠোর সমালোচনা করেছে বেইজিং। তাদের দাবি, ওয়াশিংটনের এ সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

গত সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তাইওয়ানের কাছে ৩৩ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র সরকার অনুমোদন দিয়েছে। এসব সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে কার্গো বিমান ও ‘এফ-১৬’ মডেলসহ বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমানের খুচরা যন্ত্রাংশ রয়েছে।

১৯৪৯ সালে গৃহযুদ্ধের মধ্য দিয়ে চীন ও তাইওয়ান আলাদা হয়ে যায়। এর পর থেকে তাইওয়ানের মানুষ নিজেদের স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের নাগরিক মনে করে। অন্যদিকে বেইজিং মনে করে, তাইওয়ান চীনেরই একটি অংশ; যারা চীনের সঙ্গে একীভূত হওয়ার অপেক্ষায় আছে। এ অবস্থায় তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই চীনকে ক্ষুব্ধ করেছে। গতকাল চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেং শুয়াং বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যাতে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি এবং তাদের সঙ্গে সামরিক মহড়া চালানোর সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেয়। কারণ এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে তা নানাভাবে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’

অস্ত্র বিক্রির এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য মার্কিন কংগ্রেস ৩০ দিন সময় পাবে। তবে সিদ্ধান্ত পাল্টানোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তাইওয়ানকে এখনো কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। তবে সামরিক দিক থেকে তাওয়ানের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক তারা। তাইওয়ান গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, এসব সামরিক সরঞ্জাম তাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করবে। উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র কেনায় গত শনিবার চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। চীন এর জবাবে পরদিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ সামরিক সংলাপ স্থগিত করে দেয়। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য