kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

মার্কিন গণমাধ্যমের খবর

আবারও ট্রাম্পকে হটানোর পরিকল্পনা!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আরেকবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সক্ষমতা। মার্কিন গণমাধ্যমের খবর, গত বছর ট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ছক কষেছিলেন তাঁরই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোড রোসেনস্টেইন। যদিও রোসেনস্টেইন এ ধরনের খবরকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

‘অজ্ঞাত’ সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে গত শুক্রবার ওয়াশিংটন পোস্ট ও নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক খবরে বলা হয়, রোসেনস্টেইন এ ধরনের ছক কষেছিলেন গত বছরের মে মাসে। তিনি গোপনে ট্রাম্পের এমন সব কথাবার্তা রেকর্ড করার পরিকল্পনা করেন, যেগুলো দিয়ে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়; পাশাপাশি যাতে হোয়াইট হাউসে একটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়। আর চূড়ান্তভাবে সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের কথাও ভেবেছিলেন তিনি। ওই সংশোধনীতে দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার কারণে প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিধান রাখা হয়েছে।

চলতি মাসে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো ‘বিব্রতকর’ পরিস্থিতিতে পড়লেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথম বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেন খ্যাতিমান মার্কিন সাংবাদিক বব উডওয়ার্ড। ‘ফিয়ার : ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস’ গ্রন্থে তিনি লেখেন, হোয়াইট হাউসের অনেকেই ট্রাম্পের নেতৃত্বে নাখোশ। প্রায় একই সময় নিজের নাম গোপন রেখে হোয়াইট হাউসেরই এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিউ ইয়র্ক টাইমসে লেখেন, ‘সব সমস্যার মূলে রয়েছে ট্রাম্পের নৈতিকতার অভাব।’ ওই কর্মকর্তা এও লেখেন যে, ‘ট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরাতে মন্ত্রিসভার অনেক সদস্য সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের কথাও ভেবেছিলেন।’

এর মধ্যে গত শুক্রবার নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেন ট্রাম্প। তবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দাবি করেছেন, ওয়াশিংটন পোস্ট ও নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরটি ভিত্তিহীন। রোসেনস্টেইন বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের কথাবার্তা গোপনে ধারণ করার কোনো এখতিয়ার আমি রাখি না। এ ছাড়া প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা থেকে সরানোর যে কথা বলা হচ্ছে, তা একেবারে বানোয়াট।’

এ নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগও। বিবৃতিতে বিচার বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, ‘যে কক্ষে রোসেনস্টেইন এ ধরনের কথাবার্তা বলেছিলেন, সেখানে আমিও ছিলাম। কিন্তু রোসেনস্টেইন যা যা বলেছেন, এর সবই ছিল রসিকতা।’

অনেকেই বলছেন, ওয়াশিংটন পোস্ট ও নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি রোসেনস্টেইনকে বিপদে ফেলার একটা হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। এরই মধ্যে রিপাবলিকান নেতা মাইক হুকাবি অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনসকে আহ্বান জানিয়েছেন, রোসেনস্টেইনকে যেন বহিষ্কার করা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রোসেনস্টেইনকে বহিষ্কার করা হলে এর প্রভাব বিশেষ কাউন্সেল রবার্ট মুলারের ওপরও পড়বে, যিনি মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্ত করছেন। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা