kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

মিয়ানমার-থাইল্যান্ড মহাসড়ক ‘পরিবেশ বিপর্যয়কারী’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিয়ানমারের গোষ্ঠীভিত্তিক এবং কিছু পরিবেশবাদী সংগঠন থাইল্যান্ডের সঙ্গে দেশটির প্রস্তাবিত সংযোগ মহাসড়ককে ‘পরিবেশগত এবং সামাজিক বিপর্যয়কারী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তারা বলেছে, এই সড়ক হলে স্থানীয় আদিবাসীরা তাদের বসতবাড়ি ও জমি হারাবে।

এই প্রকল্পের বিরোধিতাকারী ব্যক্তিরা বলছেন, গত জুন মাসে এই প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা প্রতিবেদন দিয়েছে মিয়ানমার সরকার। তবে ওই প্রতিবেদনে প্রকল্পের ফলে যারা জমি ও বসতবাড়ি হারাবে, সেই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হয়নি। আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচারের (ডাব্লিউডাব্লিউএফ) মিয়ানমার শাখার পরিচালক ক্রিস্টি উইলিয়ামস বলেন, ‘এ সড়ক হলো পরিবেশ ও সামাজিক বিপর্যয়ের সড়ক।’

প্রস্তাবিত সড়কটি দুই দেশের জন্য কৌশলগত দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সড়ক হলে মিয়ানমারের একটি গভীর সমুদ্রবন্দর এবং থাওয়ে শহরের কাছে পরিকল্পিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের (এসইজেড) সঙ্গে থাইল্যান্ডের সরাসরি  যোগাযোগ হবে। দক্ষিণ এশিয়ার বাজারের একটি প্রবেশদ্বার হতে পারে এই শিল্পাঞ্চল। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে ট্রাকে পণ্য পরিবহন সহজতর হবে। মালাক্কা প্রণালি ধরে আর জাহাজে পণ্য পরিবহন করতে হবে না।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, এই সড়কের ৫৫০ গজের মধ্যে যেসব মানুষের বসতি আছে, পরিবেশগত প্রভাব নিরীক্ষণ প্রতিবেদনে শুধু তাদের ক্ষতিই বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তবে এই সড়কের প্রভাব আরো দূরের মানুষের ওপরও পড়বে। ক্রিস্টি উইলিয়ামস বলেছেন, যেসব মানুষ এই সড়কের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তাদের সঙ্গে তাঁদের সংগঠন কাজ করছে। তারা মিয়ানমার সরকারকে এই সমস্যা সমাধানে বেশ কিছু নতুন সুপারিশ দেবে। এসইজেড নির্মাণকারী থাইল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মিয়ান্দওয়াই ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের কাছেও এসব সুপারিশ তুলে ধরবে। সূত্র : রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা