kalerkantho

রবিবার । ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৩ ফাল্গুন ১৪২৬। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪১

শরণখোলায় পরীক্ষার যন্ত্র না থাকায় ভীতি

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাগেরহাটের শরণখোলায় এ পর্যন্ত একজন ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান মিলেছে। গত শনিবার রাতে জোবায়দা বেগম (৬০) নামের এক বৃদ্ধা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এলে স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাঁর রক্ত পরীক্ষা করে ডেঙ্গু আক্রান্ত বলে শনাক্ত করা হয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই বৃদ্ধাকে ভর্তি না করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত বৃদ্ধা উপজেলার উত্তর তাফালবাড়ী গ্রামের জালাল পহলানের স্ত্রী।

এদিকে ডেঙ্গুর খবরে উপজেলাজুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। প্রত্যন্ত গ্রামে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ায় এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারিভাবে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা ও যন্ত্রপাতি না থাকায় মানুষের মাঝে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সবখানেই আলোচনা চলছে। এ ছাড়া ওই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি না রেখে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ায় মানুষ আরো আতঙ্কিত হয়েছে। তবে ডেঙ্গু বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন জনসচেতনতা সৃষ্টিতে শোভাযাত্রা, সভা-সেমিনার করলেও মশা নিধনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই। বদ্ধ ডোবা-নালা, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে না। এ নিয়েও ক্ষোভ বাড়ছে মানুষের মাঝে।

রোগী হাসপাতালে ভর্তি না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শরণখোলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান পারভেজ বলেন, ‘ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি করে রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত ছিল। বাড়িতে থাকায় ওই রোগীর মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।’

এ ব্যাপারে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জামাল মিয়া শোভন বলেন, ‘গত শনিবার রাত ৮টার দিকে জোবায়দা বেগম নামের এক বৃদ্ধা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় জাহানারা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হয়। সেখানে রক্ত পরীক্ষার পর ডেঙ্গু ধরা পড়ে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা