kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় মশার উপদ্রব

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় মশার উপদ্রব

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছয়টি সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা ভেঙে অরক্ষিত অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে। এসব ট্যাংক এখন মশা ও কীটপতঙ্গের নিরাপদ আবাসস্থল। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার বংশবিস্তারের স্থান ধ্বংস করার পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। তবে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মিটিং ও সেমিনার করা ছাড়া কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

গত শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ভবনের উত্তর পাশের ছয়টি সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা ভেঙে দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তা ছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিটি ভবনের পাশ দিয়ে নির্মিত পয়োনিষ্কাশনের ড্রেন ঢাকনাবিহীন রয়েছে। পলিথিনসহ বিভিন্ন আবর্জনা ফেলার কারণে ড্রেনগুলো অচল হয়ে বৃষ্টির পানি জমে আছে।

জানা যায়, সারা দেশে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলমান ধর্মঘটে ভাঙ্গুড়া পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও অংশ নেওয়ায় পৌরসভার সব কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে। তাতে পৌর এলাকায় মশার বংশবিস্তার রোধে স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি পৌরসভা। তবে দুই সপ্তাহ আগে ফগার মেশিন দিয়ে একবার ওষুধ স্প্রে করা হয় পৌর শহরের কিছু এলাকায়। যদিও তাতে মশা নিধনে তেমন কার্যকারিতা পাওয়া যায়নি। তা ছাড়া মশার বংশবিস্তার রোধে মিটিং ও সেমিনারের মধ্যেই উপজেলা প্রশাসনের কার্যপরিধি সীমিত বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক কর্মচারী জানান, হাসপাতালের ভেতরে এই নোংরা পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছে। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে (ভারপ্রাপ্ত) একাধিকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু তিনি দুই বছর ধরে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার চেয়ার ধরে রাখতেই তৎপর রয়েছেন। তা ছাড়া শহরের একটি ক্লিনিক নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। হাসপাতালের ভালো-মন্দ নিয়ে তাঁর কোনো মাথাব্যথা নেই।

হাসপাতালে সেবা নিতে আসা আব্দুল মালেক বলেন, হাসপাতালে এসে দিনেও দাঁড়িয়ে থাকলে মশা কামড়ায়। আর রাতে তো মশার অত্যাচারে থাকাই মুশকিল।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার হালিমা খাতুন বলেন, দ্রুত সেপটিক ট্যাংকগুলোতে ঢাকনার ব্যবস্থা করা হবে। আর ড্রেনগুলোর ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করে মশার উপদ্রব কমানো হবে।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফুজ্জামান জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কিছু কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তা ছাড়া আরো কর্মসূচি হাতে নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা