kalerkantho

আক্কেলপুর

চোখ মেলে ঘুমায় জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর!

নিয়াজ মোরশেদ, আক্কেলপুর (জয়পুরহাট)   

৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সারা দেশে যখন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তখন মশক নিধন ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে উদাসীন জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দেশব্যাপী মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ পালিত হলেও আক্কেলপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী যেন চোখ মেলে ঘুমিয়ে রয়েছেন। তাঁর কার্যালয়ের ভেতরেই রয়েছে মশার লার্ভার প্রজনন কেন্দ্র। তবে এই কার্যালয়ের আশপাশ পরিষ্কার করার দায়িত্ব আক্কেলপুর পৌরসভার বলে দাবি করেন অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল হাসান।

সরেজমিনে গত বৃহস্পতিবার গিয়ে দেখা গেছে, কার্যালয়ের চারপাশ অপরিষ্কার। কার্যালয়টির পশ্চিম পাশে রয়েছে ঝোপঝাড়। সেখানেও প্লাস্টিক জাতীয় ওয়ান টাইম প্লেট ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এগুলোতে পানি জমে রয়েছে দীর্ঘদিন থেকে। আর তা থেকে মশার বিস্তার ঘটছে। কার্যালয়ের মাঠের মাঝখানে একটি নলকূপ রয়েছে। ওই নলকূপের পানি ধরে রাখার জন্য একটি হাউস আছে। সেখানকার পানি স্যানিটারি ল্যাট্রিন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। তবে দীর্ঘদিন থেকে স্যানিটারি ল্যাট্রিন তৈরির কোনো কাজ না থাকায় ওই হাউসের পানি আর নিষ্কাষণ করেনি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন থেকে পানি জমে সেখানে পচে কালচে রং ধারণ করেছে। আর সেখান থেকেই মশার বংশ বিস্তার হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল হাসান বলেন, ‘আমি ১৫-২০ দিন আগে পৌরসভার মাধ্যমে কার্যালয়ের মাঠের চারপাশের বড় বড় গাছ কাটিয়েছিলাম। তার পরও বিষয়টি দেখা হচ্ছে।’ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম আকন্দ বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে পরিষ্কার করার দায়িত্ব পৌরসভার। এমনকি লাইটিংও পৌরসভা দেবে, কিন্তু সেটি পৌরসভা দেয় না। শুধু টাকা নেয়।’

আক্কেলপুর পৌরসভার মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী বলেন, ‘সবই আমরা পরিষ্কার করব ঠিক আছে। তবে সবারই উচিত সচেতন হওয়া এবং সহযোগিতা করা। শুধু পৌরসভার ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে হবে? মাঝখানে ধর্মঘটের কারণে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। এর পরও আমি ব্যক্তিগতভাবে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি সব কিছু পরিষ্কার রাখতে। কিন্তু সবারই দায়িত্ব নিজের অফিসের সামনে একটু পরিষ্কার রাখা।’

মন্তব্য