kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০২২ । ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ব্যক্তিত্ব

২৭ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

আজীজুল হক

সাহিত্যানুরাগী, প্রকৃতিপ্রেমী, শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও কবি আজীজুল হক ১৯৩০ সালের ২ মার্চ মাগুরার শ্রীপুর থানার তারাউজাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মুন্সী মোহাম্মদ জবেদ আলী ও মা রহিমা খাতুন। ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৭ সালে সাতক্ষীরা ডিগ্রি কলেজে অধ্যাপনার মাধ্যমে কবি আজীজুল হকের শিক্ষকতা শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন

১৯৫৮ সালে তিনি মাইকেল মধুসূদন মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যোগদান করেন এবং দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করার পর ১৯৮৮ সালে অবসরগ্রহণ করেন। তাঁর কবিতার উপজীব্য বিষয় মানুষ, সমাজ, সময়, দেশ, প্রকৃতিপ্রেম, নদ ও নারী। শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অসাধারণ নিপুণ শিল্পী। ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুক মুহূর্তে সূর্যকে’। ১৯৭৬ সালে দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘বিনষ্টের চিৎকার’, ১৮৮৯ সালে তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘ঘুম ও সোনালী ঈগল’ এবং ১৯৯৪ সালে ‘আজীজুল হকের কবিতা’ প্রকাশিত হয়। প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে তাঁর নিরীক্ষাধর্মী চিন্তা-চেতনা পাঠকসমাজকে করেছে বিমুগ্ধ। কবি আজীজুল হক সাহিত্যক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৯৮৫ সালে সুহূদ সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৬ সালে যশোর সাহিত্য পরিষদ পুরস্কার, ১৯৮৯ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার, ১৯৯৪ সালে যশোর শিল্পীগোষ্ঠী পদক এবং ১৯৯৬ সালে চাঁদের হাট পদক অন্যতম। ২০০১ সালের ২৭ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

[যশোর ইনফো অবলম্বনে]



সাতদিনের সেরা