kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

জয়পুরহাট ও ঠাকুরগাঁওয়ের অসুস্থরা করোনা আক্রান্ত নয়

ঠাকুরগাঁও ও জয়পুরহাট প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হওয়া চিলারং ইউনিয়নের একটি পরিবারের পাঁচ সদস্যের শরীরে করোনার উপস্থিতি পায়নি আইইডিসিআর। ওই পাঁচজনের মধ্যে একটি শিশুও আছে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহফুজার রহমান সরকার গতকাল মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রংপুর স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ও করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন জেড এম সিদ্দিকীর বরাত দিয়ে ডা. মাহফুজার রহমান আরো জানান, গতকাল সকাল ১০টায় ওই পাঁচজনের নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন আইইডিসিআর থেকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসে পৌঁছায়। প্রতিবেদনে তাঁদের শরীরে করোনাভাইরাস না পাওয়ার কথা জানানো হয়।

গত শনিবার সন্ধ্যায় করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতাল থেকে ওই পাঁচজনকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরদিন রবিবার সকালে তাঁদের শরীরের নমুনা পাঠানো হয় আইইডিসিআরে। সেদিন রাতেই ওই পাঁচজনকে আবারও ঠাকুরগাঁওয়ে এনে আধুনিক সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁদের শারীরিক অবস্থা অনেকটাই উন্নতির পথে। পুরোপুরি সুস্থ হলে তাঁদের ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

অন্যদিকে জয়পুরহাটে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হওয়া তিন রোগীর শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পায়নি আইইডিসিআর। গত শনিবার তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠিয়েছিল জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। পরে আইইডিসিআর থেকে গত সোমবার রাতে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে ওই নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনের কপি ই-মেইলে পাঠানো হয়। 

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. সেলিম মিঞা বলেন, জ্বর, সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি থাকা কালাই ও ক্ষেতলাল উপজেলার তিন রোগীর নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাসের জীবাণু পাওয়া যায়নি। আইইডিসিআর থেকে নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনের কপি ই-মেইলে তাঁর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।  অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় এ জেলায় আরো পাঁচজনসহ ১৫৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা এবং চার রোগীকে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা