kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চাবি ঘোরানোর আগে

১৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



চাবি ঘোরানোর আগে

♦ গাড়ির হালনাগাদ বৈধ কাগজপত্র (রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বীমা সার্টিফিকেট, রুট পারমিট ইত্যাদি) গাড়ির সঙ্গে রাখা।

♦ পর্যাপ্ত জ্বালানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণমতো নেওয়া।

♦ রেডিয়েটর ও ব্যাটারিতে পানি আছে কি না পরীক্ষা করা।

♦ ব্যাটারি কানেকশন পরীক্ষা করা।

♦ লুব বা ইঞ্জিন অয়েলের লেবেল ও ঘনত্ব পরীক্ষা করা, কম থাকলে পরিমাণমতো নেওয়া।

♦ মাস্টার সিলিন্ডারের ব্রেকফ্লুইড, ব্রেকঅয়েল পরীক্ষা করা, কম থাকলে নেওয়া।

♦ গাড়ির ইঞ্জিন, লাইটিং সিস্টেম, ব্যাটারি, স্টিয়ারিং ইত্যাদি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, নাটবোল্ট টাইট আছে কি না অর্থাৎ সার্বিকভাবে মোটরযানটি ত্রুটিমুক্ত আছে কি না পরীক্ষা করা।

♦ ব্রেক ও ক্লাচ কাজ করছে কি না চেক করা।

♦ অগ্নিনির্বাপকযন্ত্র ও ফাস্টএইড বক্স আছে কি না দেখা।

♦ টায়ার কন্ডিশন, হাওয়া, নাট, এলাইমেন্ট, রোটেশন, বাড়তি চাকা আছে কি না দেখা।

 

ভারী যান চালানো শিখতে

ঢাকা মহানগরসহ দেশের অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরের অলিগলিতে অত্যন্ত ছোট পরিসরে গড়ে উঠেছে ড্রাইভিং স্কুলগুলো। ড্রাইভিং প্রশিক্ষণে খরচ হয় সাধারণত ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা। ক্ষেত্রভেদে কমবেশি হতে পারে।

 

কয়েকটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান

♦ ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং সেন্টার, ১ লেক সার্কাস, কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড, ধানমণ্ডি, ঢাকা; ফোন : ০১৭১২৬৫৩৪৫০।

♦ বিআরটিসি ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, ৩৬ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণি, তেজগাঁও, ঢাকা; ৯১২৫১৩২।

♦ মোমেনশাহী ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টার; ০১৭১৪৩০৮৭৬৬।

♦ ব্র্যাক সুরক্ষা, উত্তরা, আশকোনা, (হজ ক্যাম্পের পাশে) ঢাকা; ৯৮৮১২৬৫।

♦ এমআর ড্রাইভিং, বাড়ি-৪১, সেক্টর-৩, রবীন্দ্র সরণি আজমপুর, উত্তরা, ঢাকা; ০১৯২৩৮৫৭৮০৬।

♦ আরিশ ইন্টারন্যাশনাল, ৪৫০ পশ্চিম রামপুরা (দ্বিতীয় তলা), ঢাকা; ০১৭১৫৩৪৩৭৩৯।

♦ ধানমণ্ডি ড্রাইভিং স্কুল, ৭৬৭ সাতমসজিদ রোড, ঢাকা; ৯১৩০৮৩৩।

♦ কেটিএস ড্রাইভিং সেন্টার, লেক সার্কাস, কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড, ধানমণ্ডি, ঢাকা; ৯১১৫১৪৫।

♦ ম্যাকডাম ড্রাইভিং সেন্টার, বাড়ি-৮, রোড-১২ (নতুন), ২৯ (পুরনো), ধানমণ্ডি, ঢাকা; ৮১১২৫৮১।

♦ আল আমিন সেন্টার, ২৫/এ তেজগাঁও কমার্শিয়াল এলাকা, ঢাকা; ৯৮৮৬৪২৯।

♦ জনতা ড্রাইভিং সেন্টার, জনতা হাউসিং, মেইন রোড, মিরপুর-২, ঢাকা; ০১৯১৮৭০৩২৫৯।

♦ সোবস ওয়ান ড্রাইভিং, রোড-৭ এ, সেক্টর-৪, উত্তরা, ঢাকা; ০১৭৩২৭৭৩৩৪৪।

♦ জহুরা ড্রাইভিং স্কুল, হ্যাপি রহমান প্লাজা, বাংলামোটর, ঢাকা; ০১৮১৮২৬৩৬৬৭।

 

লাইসেন্সের টুকিটাকি

ভারী যানের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স। গ্রাহককে প্রথমে লারনার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে। স্থায়ী ঠিকানা বা বর্তমান ঠিকানায় বিআরটিএর সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। সার্কেল অফিস থেকে পাওয়া লারনার লাইসেন্স দিয়ে আবেদনকারী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবে। দুই-তিন মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তাকে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্টে অংশগ্রহণ করতে হবে। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বয়স ন্যূনতম ২০ বছর এবং অপেশাদারের জন্য ১৮ বছর হতে হবে।

লারনার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন।

২। রেজিস্টার্ড ডাক্তারের কাছ থেকে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট।

৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড/ জন্ম সনদ/ পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি।

৪। নির্ধারিত ফি, ১ ক্যাটাগরি ৩৪৫ টাকা ও ২ ক্যাটাগরি ৫১৮ টাকা বিআরটিএর নির্ধারিত ব্যাংকে (ব্যাংকের তালিকা www.brta.gov.bd-তে পাওয়া যাবে) জমাদানের রসিদ।

৫। সদ্য তোলা ৩ কপি স্ট্যাম্প ও ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর একটি ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি দিয়ে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের বায়োমেট্রিকস (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙুলের ছাপ) নিয়ে স্মার্ট কার্ড ইস্যু করা হয়। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস করে জানিয়ে দেওয়া হয়।

 

নবায়ন প্রক্রিয়া

অপেশাদার : গ্রাহককে প্রথমে নির্ধারিত ফি (মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিনের মধ্যে হলে ২৪২৭ টাকা ও মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিন পরে প্রতিবছর ২৩০ টাকা জরিমানাসহ) জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিআরটিএর নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র ও সংযুক্ত কাগজপত্র সঠিক পাওয়া গেলে একই দিনে গ্রাহকের বায়োমেট্রিকস (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙুলের ছাপ) গ্রহণ করা হয়। স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়।

পেশাদার : পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সধারীদের আবার একটি ব্যাবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিআরটিএর নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা