kalerkantho

বুধবার । ১২ কার্তিক ১৪২৭। ২৮ অক্টোবর ২০২০। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ইনোভেটর্স ৪.০

উদ্ভাবনী তরুণদের চাকরির সুযোগ

জাকারিয়া জামান   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



উদ্ভাবনী তরুণদের চাকরির সুযোগ

চলতি বছর আয়োজিত হতে যাচ্ছে বাংলালিংক ইনোভেটর্সের চতুর্থ আসর ‘ইনোভেটর্স ৪.০’। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) অনুমোদিত সরকারি কিংবা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত যেকোনো বিষয় ও বর্ষের শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চাইলে https://ennovators.banglalink.net ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ২৪ অক্টোবর ২০২০ তারিখের মধ্যে। 

বাংলালিংকের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফিসার মনজুলা মোরশেদ বলেন, ‘প্রযুক্তির মাধ্যমে তরুণদের ক্ষমতায়নই বাংলালিংক ইনোভেটর্স আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। অনেক প্রতিভাবান তরুণ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রতিভা বিকাশ ও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছেন। এ ছাড়া কিছু প্রতিযোগী অংশ নেওয়ার পর বিজয়ী হয়ে পরবর্তী সময়ে বাংলালিংকে ক্যারিয়ার গড়ারও সুযোগ পেয়েছেন।’ 

দেশের উদ্ভাবনী তরুণদের সফল পেশাজীবী হওয়ার সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিত বাংলালিংক ইনোভেটর্সের আয়োজন করে আসছে বাংলালিংক। উদ্ভাবনী তরুণ প্রতিযোগীদের বাছাই করে গ্রুমিং, বুট ক্যাম্প সেশন, ওয়ার্কশপ ও অন্যান্য কার্যক্রমের মাধ্যমে তাঁদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বাংলালিংক ইনোভেটর্স। প্রতিযোগিতা শেষে সুনিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত তিনটি দলের সদস্যদের সফল ক্যারিয়ার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ডিজিটাল উদ্ভাবনে নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করা বা কাজে লাগানোর পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পান। 

বাংলালিংক ইনোভেটর্সে অংশ নিয়ে রানার-আপ হয়েছিলেন মার্কেটিং বিভাগের ছাত্রী তাসমিয়া রহমান। এরপর বাংলালিংকের অ্যাডভান্সড ইন্টার্নশিপ প্রগ্রামে (এআইপি) সরাসরি যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়ে যান তিনি। ইন্টার্নশিপের পর তিনি যোগ দেন বাংলালিংকের স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রগ্রামের অ্যাসেসমেন্ট সেন্টারে। সাফল্যের সঙ্গে কাজ করার পর তিনি স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ পান বাংলালিংকে।

বাংলালিংক ইনোভেটর্স সম্পর্কে তাসমিয়া বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ার গড়ার পেছনে এই প্রতিযোগিতা টার্নিং পয়েন্ট ছিল। এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তা পেশাগত জীবনে সব সময়ই আমার উপকারে আসবে। বিশেষ করে, টিম বিল্ডিংয়ের বিষয়টি আমি এখানে এসে খুব ভালোভাবে শিখতে পেরেছি। কারণ এই প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে আমাকে পূর্বপরিচিত নয় এমন প্রতিযোগীদের সঙ্গে একই দলের হয়ে কাজ করতে হয়েছে। তা ছাড়া স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রগ্রামে আমি বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এসব অভিজ্ঞতা একজন তরুণ পেশাজীবীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

বাংলালিংক ইনোভেটর্সের দ্বিতীয় আসরে অংশ নিয়েছিলেন বুয়েটের শিক্ষার্থী মো. আসিফ ইমরুল। তাঁর দল বিজয়ী হয়। পরে বাংলালিংকে স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ পান।

তাসমিয়া, ইমরুলের মতো অনেকেই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজেদের প্রতিভা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়েছেন।

ইমরুল বলেন, ‘এ ধরনের সুযোগ পাওয়া সত্যিই সৌভাগ্যের ব্যাপার। নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক বহুজাতিক টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান ভিওনে গিয়ে আমি প্রতিষ্ঠানটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রতিষ্ঠান কিভাবে পরিচালিত হয় তা বাস্তবে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার।’

 

 

মন্তব্য