kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ক্যাম্পাস টিপস

অঙ্কটাকে সহজ করো

গণিতকে এখন আর অনেকেই আগের মতো ভয় পায় না। কারণ এখন এর মজা বুঝতে পারার মতো অনেক বই আছে বাজারে। এমনকি ওয়েবসাইটও আছে ভূরি ভূরি, যেখানে তুমি গণিতের যেকোনো চ্যাপ্টারের ওপর পেয়ে যাবে সরল বাক্যে বিস্তারিত ব্যাখ্যা। কিন্তু এই গণিত নিয়ে জানারও একটা স্টাইল আছে। গো কনকোয়ার ডটকম সাইট থেকে সেটা জানাচ্ছেন ফয়সল আবদুল্লাহ

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অঙ্কটাকে সহজ করো

প্র্যাকটিস

সবই তো বুঝতে পারো, তবু সময়মতো কেন মনে পড়ে না? তার আগে বলি, গণিত আর ক্রিকেটে কিন্তু একটি মিল আছে। ভেবে দেখো, সাকিব আল হাসান কিন্তু মাঝে মাঝে অল্প রানে আউট হয়ে যান। তবে সাধারণ কোনো ব্যাটসম্যানের সঙ্গে তাঁর পার্থক্য কোথায়? উত্তরটা হলো প্র্যাকটিস। প্র্যাকটিসে মিলায় বস্তু। মানে গণিতের সূত্র তোমার বুঝতে একটুও সমস্যা হচ্ছে না ঠিকই; কিন্তু প্র্যাকটিস না থাকলে সময়মতো ব্যাটে-বলে এক হবে না। তাই জানা অঙ্কটাও করা চাই বারবার। সুতরাং পাঁচ নম্বর চ্যাপ্টার শুরু করার পর হুট করে দ্বিতীয় চ্যাপ্টারের একটি জটিল অঙ্ক করে ফেলো।

 

ভুলটাকে বুঝতে শেখো

সবটা করলে, কিন্তু শেষে উত্তর মিলল না। মাঝে কোথাও ছোট্ট ভুল হয়েছে। সেই ভুলটাকে কিছুতেই উপেক্ষা করতে যেয়ো না। ভুল যতই ছোট হোক, সেটা কেন হলো, ঠিক কিভাবে কী করলে সেটা আর হবে না, তা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করতে থাকো। এতে তোমার অবচেতনে ওই ভুলটাকে নিয়ে তটস্থ থাকবে তোমার মগজ। আবার গণিতে আত্মবিশ্বাসও বাড়াবে এই ভুল বিশ্লেষণ চর্চা।

 

আগে ধারণা

অঙ্ক করতে পারা মানে ধাপগুলো মুখস্থ করে ফেলা নয়। গণিতের সব কিছুর পেছনে আছে একটা করে ধারণা। সেটা আগে হজম করতে শেখো। উপপাদ্য বা সম্পাদ্য যে করছ, আগে নিজেকে প্রশ্ন করো, এই উপপাদ্যটি কেন করব? এটা বইতে স্থান পেল কেন? এটা না জানলে কী ক্ষতি হবে? জানলে কী উপকারই বা হবে? ক্যালকুলাস বস্তুটা ঠিক কী কাজে লাগে? অর্থাৎ ধাপে ধাপে সমীকরণ সমাধান করে এক্স-এর মান বের করার মধ্যে কোনো বাহাদুরি নেই। তাতে করে পরে গণিতভীতিটা বাড়বেই।

 

এড়িয়ে যাবে না কিছুই

উচ্চতর পর্যায়ে গণিতের অনেক সূত্র কিংবা ধারণার মাঝের ধারণা আমরা এড়িয়ে যেতে পছন্দ করি। এই অভ্যাসটাও বাদ দিতে হবে। ছোটখাটো কোনো জায়গায় আটকে গেলে, সেটাকে বাদ দিয়ে পরের ধাপে যাওয়া যাবে না। গণিত হলো ভবন তৈরির মতো। তোমার হাতে যতই ইট, বালু, সিমেন্ট থাকুক, দোতলা বাদ দিয়ে কিছুতেই তিনতলা বানাতে পারবে না। 

 

বাস্তব সমস্যা

গণিতে আরো ভালো করার জন্য কিংবা অলিম্পিয়াডে পদক জেতার যদি স্বপ্ন থাকে, তবে আরেকটি কাজ করতেই হবে। দিন-রাত এটা-ওটার মধ্যে গাণিতিক প্রশ্ন খুঁজতে থাকো। বাস্তবভিত্তিক সমস্যা তৈরি করে খাতা-কলমে সেটার সমাধান খোঁজো। যেমন—তুমি অনেক জোরে হাঁটা শুরু করলে। তোমার শুরুর বেগ ‘ক’ মিটার। কিন্তু যতই হাঁটছ, তোমার শরীর দুর্বল হচ্ছে, হাঁটার গতিও কমছে একটা নির্দিষ্ট হারে। এভাবে কমতে থাকলে তুমি ঠিক কত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছবে? আদৌ পৌঁছতে পারবে কি না। এমন আরো প্রশ্ন খুঁজে বের করাটাও একটা বড় কাজ। এতে গণিতটা একেবারে মাথায় গেঁথে যাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা