kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

জেনে নাও

চাঁদা নিয়ে দু-চার কথা

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁদা নিয়ে দু-চার কথা

জ্যামিতিক কোণ পরিমাপের জন্য চাঁদা না হলে আমাদের চলেই না। শূন্য ডিগ্রি থেকে ১৮০ ডিগ্রি কোণ বের করি আমরা এর মাধ্যমে। যন্ত্রটা কিন্তু ব্যবহার হয়ে আসছে বহু প্রাচীনকাল থেকে। খাঁ নামের প্রাচীন এক মিসরীয় স্থপতির সমাধিতে অনেকটা চাঁদা বা প্রট্র্যাক্টরের মতো একটা জিনিস পাওয়া যায়। এটা সেই খ্রিষ্ঠপূর্ব ১৪০০ সালের ঘটনা। তেরো শতকের দিকে ইউরোপের কারিগররা জ্যোতির্বিদ্যাসংক্রান্ত একটি যন্ত্র তৈরি করেন, যেটার নাম ছিল টরকুয়েটাম। এর মধ্যে ছিল অর্ধবৃত্তকার একটি চাঁদা। আবার ১৪০০ সালের দিকে প্রকাশিত টমাস ব্লানডেভিলের এক বইয়ে জ্যামিতিক কোন মাপার একটি চাঁদার বিশদ বর্ণনা দেয়া হয়। 

জাহাজের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য বেশ জটিল ধরনের একটা চাঁদা বানান আমেরিকার নৌ ক্যাপ্টেন জোসেফ হাডার্ট, ১৮০১ সালে। ওটা পরিচিত ছিল থ্রি আর্ম প্রটরাক্টর নামে। কারণ এর গোল আকৃতির পাশাপাশি ছিল তিনটা হাত। ওই সময় ধীরে ধীরে জ্যামিতিক চাঁদার ব্যবহার শুরু হয়। উনিশ শতকে এটা অনেক বেড়ে যায়। নানা ধরনের পরিমাপের জন্য বিভিন্ন ধরনের চাঁদা এ সময় তৈরি হতে থাকে। আমরা মূলত অর্ধচন্দ্রাকৃতি চাঁদা দেখলেও এটা আরো নানা আকৃতির হয়—গোলাকার, বর্গাকার ইত্যাদি। 

তুষার ইশতিয়াক

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা