kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

মানসম্মত গ্র্যাজুয়েট তৈরি করছে প্রাইম ইউনিভার্সিটি

ক্যাম্পাস ডেস্ক   

১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



২০০২ সালে যাত্রা শুরু প্রাইম ইউনিভার্সিটির। রয়েছে এক লাখ ৪৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের ১১ তলা ভবন ও স্থায়ী ক্যাম্পাস। প্রতিটি অনুষদের জন্য রয়েছে পৃথক ফ্লোর, সুপরিসর মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, সেমিনার হল, আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ ১৮টি ল্যাব। আছে অনলাইন সুবিধাসহ ৩০ হাজার বইসমৃদ্ধ লাইব্রেরি। ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজ, ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ফ্যাকাল্টি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইটি), ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স এবং ফ্যাকাল্টি অব ‘ল’—এই পাঁচটি অনুষদের অধীনে প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থী এখানে পড়ছেন। ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিন হিসেবে রয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্সের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. আবু সালেহ আব্দুন নূর। এই ফ্যাকাল্টিতে ডিপার্টমেন্ট অব ইইই, সিএসই ও ইটিইতে প্রায় ১২০০ ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়নরত। ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ইইইর বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মো. মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘প্রাইম ইউনিভার্সিটিতে মেধাবী ও উচ্চতর গ্রেড পাওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের থিসিসের সুযোগ দেওয়া হয়।’ সিএসইর বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘দেশেই বিশ্বমানের প্রকৌশলে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়ালেখার সুবিধা দিচ্ছে প্রাইম ইউনিভার্সিটি।’ ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবু জামান জানান, এখানে রয়েছে মেশিন ল্যাবরেটরি, কন্ট্রোল ল্যাবরেটরি, সিমুলেশন ল্যাবরেটরি, মাইক্রোপ্রসেসর ল্যাবরেটরি, টেলিকমিউনিকেশন ও সার্কিট ল্যাবরেটরি। উপাচার্য প্রফেসর ড. এম আবদুস সোবহান বলেন, ‘গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষা সহায়ক আধুনিক সরঞ্জাম ও দক্ষ শিক্ষকদের পেছনে আমরা অর্থ ব্যয় করছি। পড়াশোনার পাশাপাশি সেমিনার, ওয়ার্কশপ, সিম্পোজিয়াম, মেলা, স্টাডি ট্যুর, নানা প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন খেলায় এখানকার অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে।’ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, মীর শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয়ে দক্ষ ও মেধাবীদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’

নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চাকরিজীবী ও ডিপ্লোমা পাসকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য সান্ধ্যকালীন শিফট চালু আছে। এখানে ট্রাই সেমিস্টার পদ্ধতিতে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কেস স্টাডি, চলমান বিষয়ের ওপর অ্যাসাইনমেন্ট, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ছাড়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিটের ব্যবস্থা রয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুসারে ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী টিউশন মওকুফ ও প্রতি সেমিস্টারে ১১ শতাংশের অধিক দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী বিনা মূল্যে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, উপজাতীয় ছেলে-মেয়ে, স্বামী-স্ত্রী, আপন ভাই-বোন এবং খেলোয়াড়দের জন্য রয়েছে শত ভাগ পর্যন্ত বিনা বেতনের ব্যবস্থা। গত বছর দরিদ্র ও মেধাবী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও অন্য ছাত্র-ছাত্রীদের প্রায় ১৮ কোটি টাকা টিউশন ফি মওকুফ করা হয়েছে। যোগাযোগ : ১১৪/১১৬, মাজার রোড, মিরপুর-১, ঢাকা। ফোন : ৯০৩৮৭৭৮, ০১৯৩৯৪২৫০৩০

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা