kalerkantho

রবিবার। ১৮ আগস্ট ২০১৯। ৩ ভাদ্র ১৪২৬। ১৬ জিলহজ ১৪৪০

উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মোফিজুর রহমানের সাক্ষাৎকার

‘সব নিয়ম-কানুন স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘সব নিয়ম-কানুন স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’

বিশ্ববিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু কিভাবে?

১৯৮৯ সালে বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে আমি শিক্ষকতা শুরু করি। পর্যায়ক্রমে অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে ১৫ বছর ছিলাম। শিক্ষকতা পেশায় ২৮ বছর পার করেছি। বুয়েটে থাকাকালে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতাম। তখন কয়েকজন সহকর্মী মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রপোজাল রেডি করি। ইউনাইটেড গ্রুপ অর্থায়ন করতে রাজি হয়। এরপর ২০০৩ সালে ধানমণ্ডির ১৫ নম্বর রোডে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যাত্রা শুরু হয়।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী?

একটি ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রথমে দেখতে হয় মানসম্মত শিক্ষাদান পদ্ধতি অনুসরণ হচ্ছে কি না, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো মানের শিক্ষক, গবেষণার সুবিধা, গবেষণাকাজের ক্ষেত্র তৈরি ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত কি না। এসব বিবেচনায় ইউআইইউ একটি আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয়। এখানকার সব নিয়ম-কানুন স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক। এখানে লুকোচুরির কোনো সুযোগ নেই। মানের বিষয়ে আপস করা হয় না। এটি ধূমপানমুক্ত ও অরাজনৈতিক ক্যাম্পাস। কোনো হিডেন চার্জ নেই। শিক্ষার্থীরা যেসব প্রতিশ্রুতি পেয়ে ভর্তি হচ্ছে, পড়তে এসে ঠিক সে সুবিধাগুলোই পাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন নিউজবক্স খোলা আছে। কোনো অভিযোগ থাকলে এর মাধ্যমে জানানো যায়। আমরাও সরাসরি সেগুলো পর্যালোচনা করে সমাধান করি। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নির্ণয়ের আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে মূলত গবেষণাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। তাই আমরা গবেষণায় আগামী পাঁচ বছরের বাজেট রেখেছি ১৫ কোটি টাকা।

পাঠক্রমের বাইরে আর কী কী চর্চা করা হয়?

পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশে ১৫টি ক্লাব (স্পোর্টস ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, থিয়েটার ক্লাব, ডিবেট ক্লাব ইত্যাদি) ও ১৫টি ফোরাম (অ্যাকাউন্টিং ফোরাম, ফিন্যান্স ফোরাম, বিজনেস ফোরাম ইত্যাদি) রয়েছে। এসব ক্লাব ও ফোরাম বছরজুড়ে নিয়মিত নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশ নিতে পারে। এ ছাড়া প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগ, ফ্যাকাল্টি ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় টেবিল টেনিস, ইন্টার কলেজ ফুটবল ও শীতকালে ইন্টার কলেজ ক্রিকেট টুর্নামেন্টেরও আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত অত্যাধুনিক জিমনেশিয়াম।

আপনাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চাই।

এবার কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশে শীর্ষস্থানে জায়গা পেয়েছে ইউআইইউ। আমরা র্যাংকিংয়ের আরো উন্নতি করার পরিকল্পনা করছি। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইংলিশ, টেক্সটাইলসহ আরো কিছু নতুন বিভাগ চালু করব। এ বছর ক্যাম্পাসের পাশে হোস্টেল সুবিধা চালু করতে চাই।

মন্তব্য