kalerkantho

মঙ্গলবার। ৯ আগস্ট ২০২২ । ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১০ মহররম ১৪৪৪

রুয়েটের 'ফায়ারকপ'

জাকির হোসেন তমাল   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রুয়েটের 'ফায়ারকপ'

শিক্ষকের সঙ্গে 'ফায়ারকপ'-এর তিন নির্মাতা- সৌরভ সরকার, অধ্যাপক রোকনুজ্জামান, মুস্তফা মুহিবুল্লাহ ও শরীফ আহমেদ

আগুন লেগেছে। কিন্তু লেলিহান শিখার তীব্রতায় কিছুতেই ঢোকা যাচ্ছে না ভবনের ভেতরে। মানুষ পিছিয়ে এলেও এই পরিস্থিতিতে আগুন নেভাতে ঢুকে পড়বে 'ফায়ারকপ'। প্রথমেই কার্বন ডাই-অক্সাইড স্প্রে করবে সে।

বিজ্ঞাপন

সঙ্গে সঙ্গে কমে যাবে আগুনের তীব্রতা। তখন উদ্ধার অভিযানে নেমে পড়তে পারবেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। নিজেদের রোবটের কার্যক্রম তুলে ধরতে গিয়ে তথ্যগুলো জানালেন সৌরভ শিকদার। তাঁরাই ফায়ারকপের নির্মাতা। পড়েন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট)। যন্ত্রকৌশলের সৌরভের সঙ্গে আরো আছেন মুস্তফা মুহিবুল্লাহ এবং তড়িৎ কৌশলের শরীফ আহমেদ। পুরো উদ্ভাবনটির তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন যন্ত্রকৌশলের সহযোগী অধ্যাপক রোকনুজ্জামান।

ফায়ারকপের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরলেন মুহিবুল্লাহ- 'দূর থেকে রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেমের সাহায্যে চলাচল, অগ্নিনির্বাপণ কৌশল নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ফায়ারকপে রাখা আছে একটি কার্বন ডাই-অক্সাইড ফায়ার এক্সটিংগুইশার। ' আরো জানালেন, 'অন্যান্য অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের চেয়ে ফায়ারকপের দামই শুধু কম নয়, ব্যবহারবিধিও সুবিধাজনক। ' শরীফ বললেন, 'ফায়ারকপ' সবচেয়ে ভালো কাজ করতে পারবে বৈদ্যুতিক গোলযোগের আগুনে, 'বৈদ্যুতিক কারণে আগুন লাগলে পানি দিয়ে নেভাতে গিয়ে যেকোনো সময় শর্টসার্কিট হতে পারে। তবে আমাদের রোবটের স্প্রের মাধ্যমে এই আগুনও সহজেই নিভে যাবে। '

রোবটটির এখন সিঁড়ি বেয়ে ওঠার জন্য বিশেষ চাকা তৈরির কাজ চলছে। চলাফেরার গতি ও কোন অবস্থায় কাজ করছে সেটি জানার জন্য এতে সিসিটিভি ক্যামেরাও সংযুক্ত করা সম্ভব হবে। আগুনের তীব্রতায় তো লোহা গলে যেতে পারে- এ আশঙ্কার কথা জানাতেই উড়িয়ে দিলেন শরীফ, 'রোবটের প্রতিটি অংশ তাপ সহনীয় পদার্থ দিয়ে এমনভাবে তৈরি হচ্ছে, যাতে আগুনের খুব কাছাকাছি গেলেও কোনো ক্ষতি হবে না।



সাতদিনের সেরা