kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ মাঘ ১৪২৮। ২৫ জানুয়ারি ২০২২। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

চতুর্থ স্থানে নেমে গেল ভিকারুন নিসা নূন স্কুল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মে, ২০১২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দ্রিম দ্রিম শব্দে ড্রামের তালে তালে নৃত্য আর আনন্দ ধ্বনিতে মুখর চারপাশ। শিক্ষার্থীরা ভি-চিহ্ন দেখিয়ে চষে বেড়াচ্ছে পুরো মাঠ। শামিল হয়েছেন অনেক অভিভাবকও। অন্যরা গোল হয়ে দাঁড়িয়ে দেখছেন সন্তানদের বাঁধভাঙা আনন্দ-উচ্ছ্বাস। তাঁদের চোখেমুখে মুগ্ধতা। অনেকের অভিব্যক্তিতেই সার্থকতা আর সফলতার হাসি। কারো চোখে আনন্দাশ্রু। এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর গতকাল সোমবার এমন দৃশ্য ছিল রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে। তবে এমন আনন্দযজ্ঞে শিক্ষকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছলতার ঘাটতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কারণটাও অজানা নয়। গত বছর স্কুলটি ঢাকা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ছিল দ্বিতীয় স্থানে। এবার সেই সাফল্য দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে স্কুলটি। দুই ধাপ নেমে গিয়ে অবস্থান দাঁড়িয়েছে চতুর্থ। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় এক হাজার ২৭৯ জন ছাত্রী। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে এক হাজার ১০ জন। পাসের হার ৯৯.৮৪ শতাংশ। চারজন ড্রপ আউট হওয়ায় শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি স্কুলটি। তবে যারা পরীক্ষা দিয়েছিল তারা সবাই পাস করেছে। এই স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৮৫৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৮১৯ জন, বাণিজ্যে ৩৪২ জনের মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৭৬ এবং মানবিকে ৮৩ জনের মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৫ জন। ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ছাত্রী তাসনিন ফারহানা তাজিন জিপিএ ৫ পেয়েছে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে। তার আনন্দের প্রকাশটা যেন ছিল তুলনামূলক একটু বেশি। তাজিন বলে, 'আমি চেষ্টা করেছি। শিক্ষকরাও আমাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। আর এই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান আমার বাবা-মায়ের।' তার মা-ও মেয়ের এই ফলে সন্তুষ্ট। অন্য অভিভাবকরাও স্কুলের পড়ালেখার মান নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন। আরেক শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস মীমও জিপিএ ৫ পেয়েছে। এই কৃতিত্বের পেছনে শিক্ষক ও মায়ের ভূমিকাই প্রধান বলে জানায় সে। দুই ধাপ পিছিয়ে চতুর্থ হওয়ার কারণ জানতে চাইলে স্কুলের প্রিন্সিপাল মঞ্জু আরা বেগম কালের কণ্ঠকে বলেন, 'একটু তো খারাপ লাগছেই। তবে খুশি না হওয়ারও কোনো কারণ নেই। এই ব্যাচে বেশ কিছু দুর্বল শিক্ষার্থী ছিল। তাই আমাদের মনেও আশঙ্কা ছিল। এদের আলাদাভাবে যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি রি-টেস্টও নেওয়া হয়েছে। এর পরও ওরা অতটা ভালো করতে পারেনি।'

বিজ্ঞাপন



সাতদিনের সেরা