kalerkantho

বুধবার । ১১ কার্তিক ১৪২৮। ২৭ অক্টোবর ২০২১। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের

উজিরপুরে আ. লীগের কাউন্সিলে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর, আহত ৪

বরিশাল অফিস ও উজিরপুর প্রতিনিধি   

২৭ এপ্রিল, ২০১২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনায় বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিল পণ্ড হয়ে গেছে। সংঘর্ষে চারজন আহত এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লাঞ্ছিত হন। এ সময় সভাস্থলের চেয়ার এবং সভাস্থলের পাশের মন্দিরে তিনটি প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জল্লা ইউনিয়নের পানবাড়ী মন্দিরের সামনে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের আয়োজন করা হয়েছিল। জানা গেছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খালেক আজাদ, সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন, জল্লা ইউপির চেয়ারম্যান উর্মিলা বাড়ৈ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সমীর মজুমদার, সম্পাদক আলী হায়দার নান্নু, আবু বক্কর মলি্লক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি অরুণ বিশ্বাস, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সুমনসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত হয়ে সভা শুরু করেন। এর কিছু পরই উপজেলার ওটরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবালের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি অংশ অতর্কিতে অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে চেয়ার ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় তারা জল্লার ইউপি চেয়ারম্যান উর্মিলা বাড়ৈ ও থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জামাল হোসেনকে ধাওয়া করে। ধাওয়া খেয়ে তাঁরা একটি ঘরে আশ্রয় নিয়ে কোনোমতে রক্ষা পান। একপর্যায়ে হামলাকারীরা পানবাড়ী মন্দিরে ঢুকে মূর্তি ভাঙচুর করে। পরে কাউন্সিল অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে এই হামলা করেন অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় মন্দির ভাঙচুরের কথা অস্বীকার করেছেন উজিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম শেখ। জল্লা ইউপির চেয়ারম্যান উর্মিলা বাড়ৈ অভিযোগ করেন, ইকবালের সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়ে সভাস্থল ও মূর্তি ভাঙচুর করে এবং তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধাওয়া করে। ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল অভিযোগ অস্বীকার করেন।


সাতদিনের সেরা