kalerkantho

শুক্রবার। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৪ ডিসেম্বর ২০২০। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

অ্যাওয়ার্ড

'আনিস চৌধুরীর হাত ধরে দেশের নাটক হয়েছে আধুনিক'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ নভেম্বর, ২০১০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'আনিস চৌধুরীর হাত ধরে দেশের নাটক হয়েছে আধুনিক'

প্রবাসী পল্লী আয়োজিত শ্রেষ্ঠ নায়িকার পুরস্কার নিচ্ছেন চিত্রনায়িকা পপি। ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশের নাটক যাঁদের সাধনায় আধুনিক হয়ে ওঠে, আনিস চৌধুরী (১৯২৯-৯০) তাঁদের অন্যতম। ১৯৫৬ সালে তাঁর প্রথম মঞ্চস্থ 'মানচিত্র' নাটকটি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ছিল এ দেশের সর্বাধিক মঞ্চায়িত নাটক। বিষয় ও আঙ্গিকে, দর্শন ও রীতিতে আনিস চৌধুরী বাংলা নাটকের ধারায় সঞ্চার করেছেন নবতর এক মাত্রা। আনিস চৌধুরীর 'নাটকসংগ্রহ'র প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ অভিমত ব্যক্ত করেন আলোচকরা। জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে গতকাল শুক্রবার এ প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বইটির মোড়ক উন্মোচন করে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম, শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী ও আনিস চৌধুরীর অনুজ জামিল চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন আনিস চৌধুরীর মেয়ে ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী। বুলবুল ইসলামের কণ্ঠে নিবেদিত রবীন্দ্রনাথের 'মনে কী দ্বিধা রেখে গেলে চলে' ও 'ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু' গান দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এরপর প্রদর্শিত হয় আনিস চৌধুরীকে নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, মধ্যবিত্তের জীবন-সংকট আনিস চৌধুরীর নাটকের প্রধান উপজীব্য। রচনা সংগ্রহের প্রকাশ সাহিত্যিক হিসেবে তাঁর কৃতিত্বকে নতুন করে উপলব্ধি করতে সহায়তা করবে। জামিল চৌধুরী বলেন, বাবার আকস্মিক মৃত্যু, চার ভাইবোনের লেখাপড়ার স্বার্থে নিজের শিক্ষাজীবনের ইতি টেনে সংবাদপত্রে যোগদান আর পঞ্চাশের মন্বন্তর আনিস চৌধুরীকে সাহিত্যিক বানিয়েছে। এ কারণে তাঁর সাহিত্যে দারিদ্র্যের ভয়াবহতার প্রতিফলন ঘটেছে। 'আনিস চৌধুরী : নাটকসংগ্রহ' বের করেছে ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশ। বইয়ের প্রচ্ছদ অঙ্কন করেছেন শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী। ১২টি নাটক এ গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। বইয়ের মূল্য ৫০০ টাকা। প্রবাসী পল্লী-ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ট্র্যাব) আয়োজিত অনুষ্ঠানে গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, 'প্রত্যেক জাতিকে এগিয়ে যেতে হলে তার ভেতরের শক্তিকে শক্তিশালী হতে হয়। জাতির ভেতরের শক্তি হলো তার নিজস্ব সংস্কৃতি। দেশের সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে সরকার সব সময় আন্তরিক।' প্রবাসী পল্লী-ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড ২০০৯ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শেরাটন হোটেলের উইন্টার গার্ডেনে গতকাল সন্ধ্যায় আয়োজিত হয় প্রবাসী পল্লী-ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড ২০০৯ প্রদান অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি গত বছর মুক্তিপ্রাপ্ত টিভি নাটক, মঞ্চ নাটক, বিজ্ঞাপনচিত্র, চলচ্চিত্র, সংগীত, নৃত্যকলা থেকে নির্বাচিত কলাকুশলীদের বিভিন্ন শাখায় অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন। আজীবন সম্মাননা পান চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব আমজাদ হোসেন। শেষ পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। প্রবাসী পল্লী-ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল কালের কণ্ঠ, রেডিও টুডে ও বাংলা ভিশন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা