kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

সংক্ষিপ্ত

ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মী পাঁচ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করার পর তাঁদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া নেতাকর্মীরা হলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান রাসেল, সহসভাপতি মুহতামিম ফুয়াদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনীক সরকার, উপসমাজকল্যাণ সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিওন, গ্রন্থনা ও গবেষণা সম্পাদক ইশতিয়াক মুন্না, ছাত্রলীগকর্মী মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মোজাহিদুর রহমান ও মেহেদী হাসান রবিন।

গতকাল দুপুরের পর চকবাজার থানায় করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার এই ১০ নেতাকর্মীকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত রবিবার রাতে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর সোমবার হত্যার অভিযোগে ১০ জনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। আবরারকে পিটিয়ে হত্যার পর তাঁর বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ছাত্রলীগের ১৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা বুয়েটের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা হলেন মেহেদী হাসান, মুহতামিম ফুয়াদ, অনীক সরকার, মেহেদী হাসান রবিন, ইফতি মোশারফ হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মাজেদুল ইসলাম, মোজাহিদুর রহমান, তানভীর আহম্মেদ, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, জিসান, আকাশ, শামীম বিল্লাহ, শাদাত, তানীম, মোর্শেদ, মোয়াজ ও মুনতাসির আল জেমি।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ১০ আসামির প্রত্যেককেই সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পর সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, এরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত।

আইনজীবী ছিলেন না আট আসামির : ছাত্রলীগের এই দাপুটে নেতাদের আটজনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন না। পরিবারের কাউকেও দেখা যায়নি। শুধু ইশতিয়াক ও অন্য একজনের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা