kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

চা ও চিপসে চনমনে বিকেল

ছোট-বড় সবার প্রিয় খাবার চিপস। এখন দোকানে আলু, কলা, ভুট্টাসহ নানা উপাদানে তৈরি চিপস পাওয়া যায়। বিকেলের নাশতায় বা অফিসে কাজের ফাঁকে এক কাপ চায়ের সঙ্গে চিপস নিমেষেই চাঙ্গা করে মন। লিখেছেন মোনালিসা মেহরিন

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চা ও চিপসে চনমনে বিকেল

পরিবার নিয়ে বাস বা ট্রেনের দীর্ঘ যাত্রায় সঙ্গে চিপস রাখতে দেখা যায় অনেককেই। কারণটিও সহজে অনুমেয়। পথের ক্লান্তি ভুলতে গল্পে গল্পে জিবে মুখরোচক স্বাদের জোগান দেওয়া। চিপস এখন যখন-তখন ভালো লাগার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে আমাদের কাছে।

বিজ্ঞাপন

তেমনটাই জানালেন একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কর্মরত আবুল খায়ের সুজন। ছোটবেলায় বিজ্ঞাপন দেখে চিপসের সঙ্গে পরিচয় তাঁর। এর পর থেকেই নিয়মিত খাবারের তালিকায় ঢুকে যায় চিপস। ছোটবেলার সেই অভ্যাস রয়ে গেছে এখনো। খায়ের জানালেন, এখনো অবসরে চিপস খান। বিশেষ করে বিকেলে কাজের মাঝে যখন ক্লান্তি ভর করে, তখন প্রথমেই মনে আসে চিপসের কথা। বললেন, ‘এক কাপ চা আর সঙ্গে কিছু চিপস। গরম চায়ের চনমনে অনুভূতি আর চিপসের মচমচে ভাব দুইয়ে মিলিয়ে যেন মুহূর্তেই কাজের ক্লান্তি কেটে যায়। ’ বাজারে পাওয়া প্রায়

চিপসেরই দারুণ ভক্ত তিনি। বললেন, ‘আমি প্রায় সব ব্র্যান্ডের চিপসই খেয়ে থাকি। মাঝেমধ্যে বাজারে আসা নতুন ব্র্যান্ড, ভিন্ন স্বাদ ও উপাদানে তৈরি চিপসও পরখ করে দেখি। তবে সবচেয়ে ভালো লাগে চিকেন মাসালা দেওয়া পটেটো চিপস। ’

সুজনের মতো চিপসপ্রিয়দের জন্য বাজারে রয়েছে নানা স্বাদ ও নানা উপাদানের চিপস। পটেটো চিপস যেমন পাওয়া যায়, তেমনি রয়েছে ভুট্টা, কলার তৈরি চিপস। চিপস তৈরির পর এটি আরো সুস্বাদু করতে নানা রকম মসলা মেশানোও হয় এতে।

প্রতি ১০০ গ্রাম চিপসে ফ্যাট পাওয়া যায় ৩৫ গ্রাম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে ১১ গ্রাম, সোডিয়াম ৮ গ্রাম, পটাসিয়াম ১২৭৫ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৫৩ গ্রাম, ডায়াটারি ফাইবার ৪.৮ গ্রাম ও প্রোটিন ৭ গ্রাম।

বিকেলের নাশতা হিসেবেও দারুণ জমবে মুখরোচক চিপস। ঘরে থাকা খাবারের সঙ্গে কিছু চিপস পরিবেশন করে যোগ করতে পারেন বাড়তি একটি আইটেম। বই পাঠের সময়, চলচ্চিত্র দেখার সময় চিপসও হতে পারে দারুণ সঙ্গী। সময়টুকু কাটবে আরো আনন্দে।

বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চিপস কিনে পরখ করার পাশাপাশি ঘরে তৈরি করেও চিপস বানিয়ে খেতে পারেন। নতুন একটি আইটেম রান্না শেখার আনন্দও যোগ হবে জীবনে। এর জন্য বেশি প্রস্তুতির দরকার নেই। ঘরে থাকা আলু কেটেই শুরু করতে পারেন চিপস তৈরির প্রক্রিয়া। দরকার শুধু ধৈর্য আর নতুন কিছু করার আকাঙ্ক্ষা। ইউটিউবে ঘরে চিপস বানানোর কয়েকটি ভিডিও দেখে নিতে পারেন। এতে আরো সহজ হবে আপনার চিপস বানানোর প্রক্রিয়া।



সাতদিনের সেরা