kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

কচিকাঁচার পূজার পোশাক

পূজা উপলক্ষে বড়দের পাশাপাশি ছোটদের জন্যও নতুন নকশার পোশাক এনেছে ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো। পোশাকে পূজার থিমের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতির নানা মোটিফও তুলে ধরা হয়েছে। ডিজাইনারদের সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন আতিফ আতাউর

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কচিকাঁচার পূজার পোশাক

বিশ্বরঙ

ছোটদের আনন্দকে আরো বাড়িয়ে দিতে পূজা উপলক্ষে এবারও নতুন নকশার পোশাক পাওয়া যাচ্ছে শোরুমগুলোতে। বড়দের পূজার পোশাকে সাদা ও লালের প্রাধান্য থাকলেও ছোটদের পোশাকে নেই এই বাধ্যবাধকতা। বড়দের মতো ছোটদের পোশাকেও আবহাওয়ার পাশাপাশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে আরামের বিষয়টি। পোশাকের রঙেও থাকছে উত্সবের আবহ।

বিজ্ঞাপন

রঙ বাংলাদেশ

ছোটদের পূজার পোশাকে দেশীয় কাপড়ের জয়জয়কার বেশি। পোশাকের মোটিফে ফুলের নকশার প্রাধান্য। পূজা উপলক্ষে মেয়েশিশুদের জন্য সুতি কাপড়ের গাউনও থাকছে এবারের পূজার আয়োজনে। লেহেঙ্গা, গাউনের মতো ফ্রকও রয়েছে পূজার পোশাকের কিউয়ে।

ক্লাব হাউস

উত্সবে বড়দের মতো সাজতে পছন্দ করে ছোট মেয়েরা। তাদের জন্য থাকছে বাহারি কাজ করা রংবেরঙের শাড়ি। এসব শাড়ি কিনে যেমন ইচ্ছামতো সাজা যাবে, তেমনি রয়েছে রেডিমেড শাড়ি পরার সুযোগ। কুঁচি করা এসব শাড়ি পরার জন্য আলাদা কসরতের দরকার নেই। কোমরের কাছে রাবার ব্যবহার করা হয়েছে এসব শাড়িতে। ছোটদের জন্য সালোয়ার-কামিজেও রয়েছে নানা থিমের ব্যবহার। শরতের মধ্যে পূজা বলে পোশাকে এই ঋতুর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরা হয়েছে। রঙ বাংলাদেশের স্বত্বাধিকারী ও ডিজাইনার সৌমিক দাস বললেন, ‘গরমের মধ্যে উত্সবের পোশাকে বড়দের মতো শিশুদের পোশাকে আরামের দিকটাতে বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়। উত্সবের পোশাক যাতে উত্সব শেষেও পরতে পারে সেই প্রচেষ্টাও থাকে নকশা করার সময়। এখন শরত বলে পোশাকে নীল, সাদার ব্যবহার থাকছে ছোটদের পোশাকে। ’

আড়ং

ছেলেশিশুদের পোশাকে পাঞ্জাবি, শার্ট ও টি-শার্টে থাকছে পূজার থিম। হালকা কাজ করা পাঞ্জাবির সঙ্গে নকশা করা কটিও এই পূজায় এনে দেবে অভিজাত লুক। পাঞ্জাবির হাত, বুক ও গলার কাছে কাজে বেশি বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে এবার। টি-শার্টে পূজার থিম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সবচেয়ে বেশি।

টুয়েলভ

কে ক্রাফটের সিনিয়র ডিজাইনার শরিফুল হুদা বিপ্লব বললেন, ‘ছোটদের পূজার পোশাকে মানডালা, ট্রাইবাল ও ফ্লোরাল মোটিফ বেশি দেখা যাচ্ছে এবার। পোশাকে আরামের কথা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে কটন, হ্যান্ডলুম, লিনেন, হাফসিল্ক ও অরগ্যান্ডির মতো কাপড়। ’

ছোটদের কাপড়ে নকশা ফুটিয়ে তুলতে লাল, নীল, মেরুন, সাদা, বাদামি, সবুজের মতো নানা রং ব্যবহার করা হয়েছে। মিডিয়া হিসেবে ব্যবহূত হয়েছে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, কারচুপির কাজ।

নিত্য উপহার

শিশুদের আনন্দকে আরো বাড়িয়ে দিতে তাদের মতো একই পোশাকে সাজতে পারবেন বড়রাও। এ জন্য এবারও থাকছে ফ্যামিলি পোশাক বা ম্যাচিং পোশাক। অর্থাত্ পরিবারের সব সদস্যের জন্য একই প্যাটার্ন, মোটিফ, রং ও নকশার পোশাক পাওয়া যাবে বেশ কিছু ফ্যাশন হাউসে। মা-বাবা, মা-ছেলে, ভাই-বোন বা পরিবারের সব সদস্য ম্যাচিং পোশাক পরেও উদযাপন করতে পারবে পূজার আনন্দ।

 

 

 

 

 

 



সাতদিনের সেরা