kalerkantho

বুধবার । ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭। ৩ মার্চ ২০২১। ১৮ রজব ১৪৪২

গায়েহলুদের এই সময়

এখনকার গায়েহলুদের সাজ কেমন হচ্ছে? জানান রেড বিউটি স্যালনের রূপ বিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন। বলেন, ‘যেহেতু ভাড়া করা সেন্টার বা হলে আয়োজন কমেছে, তাই আলোর আতিশয্য নেই। সাজের টোন তাই মিনিমালই বেছে নিচ্ছেন বিয়ের কনেরা। হালকা বেইজ, চোখের সাজে গাঢ় ভাব আর প্রমিনেন্ট ঠোঁট সাজে জোর পাচ্ছে এগুলোই। পোশাক ও গয়নায় জবরজং ভাব কেটেছে, এসেছে সারল্য। তবে গায়েহলুদের সাজে ফুলের কদর একই আছে।’

জিনাত জোয়ার্দার রিপা   

২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গায়েহলুদের এই সময়

বিয়ের আগে বর-কনের কপালে হলুদ ছোঁয়ানো বিয়ের পবিত্র রীতি বলে মানা হয় বহুকাল ধরে। সেই থেকেই গায়েহলুদের চল। এখন তো এই উপলক্ষে রীতিমতো অনুষ্ঠান আয়োজন হয়। যদিও তার রাশ টেনে ধরেছিল করোনা, তবু ফিকে হয়নি রং। বরং কভিড পরিস্থিতিতে তাতে এসেছে আন্তরিকতার ছাপ। গত দশকে দেখা গেছে, গায়েহলুদের অনুষ্ঠানও আয়োজিত হয়েছে কমিউনিটি

সেন্টার বা হল ভাড়া করে। মূলত বাড়িতে ঝামেলা এড়াতেই সবাই বেছে নিতে শুরু করেছিলেন এই পথ। তারপর হঠাত্ করেই হানা দিল করোনা মহামারি। শুরুতে তো বিয়ে আয়োজনেই ছিল নিষেধাজ্ঞা। জনসমাবেশ এড়াতেই প্রশাসন নিয়েছিল সে পদক্ষেপ। লকডাউন উঠে গেলে ধীরে ধীরে বিয়ের আয়োজন আবার শুরু হয়। বাদ যায় গায়েহলুদের মতো অন্যতম রীতিও। তবে এখন তার উপস্থাপনায় ফিরেছে পুরনো আবহ। বাড়িতেই যেহেতু এখনো হচ্ছে বিয়ের বেশির ভাগ আয়োজন, তাই গায়েহলুদও হচ্ছে বাড়ির আঙিনা বা ছাদে। শহুরে বাড়ির উঠানের অভাব মেটাচ্ছে ছাদ। এখনকার গায়েহলুদ কেমন হচ্ছে, তা নিয়ে জানতে চাই বিবাহ বিডি.কম-এর সিইও জি এম ফ্রেজারের কাছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের ওয়েবসাইটটি মূলত সেলফ সার্ভিস বলা যায়। সেখানে আমরা কারো সঙ্গে কারো পরিচয় করিয়ে দিই না। সব পেশার সব ধরনের বর-কনের প্রফাইল দেওয়া আছে সাইটে। আগ্রহীরা নিজেরাই বেছে নেন নিজেদের জীবনসঙ্গী। সে ক্ষেত্রে প্রচলিত ম্যাচমেকার বা ঘটক বলতে যা বোঝায় আমরা তা নই। এই যেমন অঝরা-ওয়াহিদের কথাই ধরুন। তাঁরা নিজেরা নিজেদের খুঁজে নিয়েছেন। তারপর দুই পরিবারের তরফে কথা চালাচালির পর বিয়ে পাকা হয়। তাঁদের গায়েহলুদের কথাই ধরুন। কী ছিল না সে আয়োজনে! অথচ একদম ঘরোয়া। ছিল না কোনো ইভেন্ট প্ল্যানার। স্টেজের ব্যাকড্রপ থেকে শুরু করে ভেন্যু মানে তাদের নিজেদের ছাদ সাজিয়েছে দুই পক্ষের সবাই মিলে। কাগজের ফুল, তাজা ফুল ব্যবহূত হয়েছে। আঁকা হয়েছে আলপনাও। সত্যিই সে আয়োজন ছিল দেখার মতো। এভাবে যখন কোনো বিয়ে সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়, তখন আমাদের উদ্যোগও সার্থকতা পায়।’

অঝরা-ওয়াহিদের মতো অনেকেই এখন সময় বেছে নিচ্ছেন এ ধারাকেই। হলুদের আয়োজন হচ্ছে বাড়িতেই। খাবারের দায়িত্ব বাবুর্চির ওপর বর্তালেও তার দেখভালে থাকছেন বাড়ির কর্তাব্যক্তিরাই। যেন সেই আশি-নব্বইয়ের দশকের বিয়ের আমেজ ফিরেছে আবার।

অঝরা-ওয়াহিদের গায়েহলুদের আয়োজন ছিল আড়ম্বরপূর্ণ, কিন্তু শতভাগ আন্তরিক

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা