kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কিশোরীর চুলের যত্ন

কিশোরীদের চুলের সাধারণ সমস্যা পড়ে যাওয়া। সমস্যাটা অনেকের ক্ষেত্রে একটু বেশি। নিয়মিত চুলের যত্ন না নিলে পরিত্রাণ সম্ভব নয়। চুলের যত্ন নিতে হবে কিভাবে—পরামর্শ দিয়েছেন শোভন মেকওভার স্যালনের রূপবিশেষজ্ঞ শোভন সাহা। লিখেছেন এ এস এম সাদ

১৯ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কিশোরীর চুলের যত্ন

নিয়মিত চুল পরিষ্কার

বাইরে গেলে এমনিতেই চুল ময়লা হবে। তাই নিয়মিত শ্যাম্পু করে নিলেই ভালো। প্রতিদিন শ্যাম্পু করা যায়। তবে চুল বড় হলে প্রতিদিন সম্ভব না-ও হতে পারে। সময়সাপেক্ষও বটে। সে ক্ষেত্রে এক দিন পর পর শ্যাম্পু করতে হবে।

নিয়মিত চুল আঁচড়ানো

চুল নিয়মিত না আঁচড়ালে চুলে জট বেঁধে যায়। পরে চুল আঁচড়াতে গেলে চুল পড়ে, ত্বকেও আঘাত লাগে। তাই নিয়মিত চুল আঁচড়াতে হবে।

মোটা দাঁতের চিরুনির ব্যবহার

মাথার তালু যাদের প্রচুর ঘামে, তাদের মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে ঘন ঘন চুল আঁচড়ে নিতে হবে। চুল শুকাতে ড্রায়ার ব্যবহার করা যাবে না। গোসল শেষে একটা মোটা তোয়ালে পেঁচিয়ে চুল শুকিয়ে নেওয়া সবচেয়ে ভালো।

সুষম খাবার

চুল ঠিক রাখতে হলে আরেকটি দিকে খেয়াল রাখতেই হবে- খাবারদাবার। খাবারে যেন শর্করা, আমিষ, ভিটামিন সব উপাদান পরিমিত পরিমাণে থাকে। প্রতিদিন দুধ খেতে হবে। খাবার শরীরে পুষ্টি জোগায়। ফলে সৌন্দর্য আসে ভেতর থেকে।

মুখের ধরন বুঝে চুলের কাট

অনেক সময় চুলের কাট সুন্দর হলেও চেহারার সঙ্গে তা মানানসই হয় না। কিশোরী মেয়েটির কোন ধরনের চুলের কাট ভালো লাগবে তা বুঝে চুলের কাট দিতে হবে। চুলের ধরন এবং মুখের গড়নের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

চুল বাঁধা

চুল বাঁধা নিয়েও থাকে অনেকের অনীহা। অল্প বয়সে খোলা চুলেই যেন বেশি স্বাচ্ছন্দ্য। তবে সারা দিন খোলা চুলে থাকলেও রাতের বেলায় অন্তত চুল বেঁধে ঘুমানোটা জরুরি। কারণ বালিশের ঘষাঘষিতে চুলের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

তেলের মালিশ

কিশোরীর চুলে নিয়মিত নারকেল তেল মালিশের দরকার। এতে চুলের গোড়া মজবুত হয়। ছুটির দিনে সকালে তেল দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। কিংবা রাতেও মাথায় তেল দিয়ে সকালে শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করে ফেলতে পারেন।

ঘরে আয়ুর্বেদিক চিকিত্সা

ঘরেই কিছু আয়ুর্বেদিক চিকিত্সা নেওয়া যেতে পারে। একটি পেঁয়াজ ও একটি পাকা কলার সঙ্গে দুই টেবিল চামচ মেথি গুঁড়া ভালোভাবে ব্লেন্ড করে মাথার তালুতে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। খেয়াল রাখবেন, প্যাকটি লাগানোর আগে যেন মাথার ত্বক শুকনো থাকে। সপ্তাহে এক দিন এই প্যাক লাগালে বন্ধ হবে চুল পড়া।

ঠিকমতো শুকাতে হবে

ভেজা চুল কখনো টাওয়েল দিয়ে ঘষে ঘষে মুছবেন না। কারণ এতে চুল রুক্ষ হয়ে যায়, যা ভেজা চুল বেঁধে রাখার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সবচেয়ে ভালো, প্রাকৃতিক বাতাস বা একান্ত সম্ভব না হলে হেয়ার ড্রায়ারের সবচেয়ে নিচু তাপে চুল শুকানো।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা