kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২ জুন ২০২০। ৯ শাওয়াল ১৪৪১

করোনার উপর ডেঙ্গুর ঘা

একে তো করোনার ভয়, তার ওপর ডেঙ্গু। সাধারণ জ্বরকেও করোনা বলে গুজব রটছে। দরকার এডিস মশা থেকে মুক্তি। কী করবেন জানাচ্ছেন আতিফ আতাউর

৬ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনার উপর ডেঙ্গুর ঘা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। ধীরে ধীরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। করোনা সতকর্তার এই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে নীরব থাকলে কিন্তু চলবে না। বিশেষ করে যখন জ্বর হলেই রটে যাচ্ছে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার গুজব। এ অবস্থায় চিকিৎসাসেবা পাওয়া নিয়েও তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তা। এ জন্য এখন থেকেই এডিস মশা থেকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। মশা থেকে দূরে থাকার চেষ্টার পাশাপাশি তাদের বংশবিস্তারের প্রকোপও কমানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। 

♦ পরিষ্কার পানি কোথাও তিন দিনের বেশি জমে থাকতে দেবেন না। ডাবের খোসা, টায়ার, মাটির পাত্র, ফুলের টব, বাগানের কোথাও জমে থাকা পানি তিন দিন পর ফেলে দিন অথবা বদলে ফেলুন। কারণ জমে থাকা পরিষ্কার পানি ডেঙ্গু মশাদের আখড়া। সেখানেও ওরা বংশবিস্তার করে।

♦ ফুলের টবের গা ঘষে ঘষে পরিষ্কার করুন। এতে গায়ে লেগে থাকা এডিস মশার লার্ভা মরে যাবে।

♦ অ্যাকুয়ারিয়াম, ফ্রিজ, এয়ারকন্ডিশনারের নিচে এবং মুখ খোলা পানির ট্যাংকে যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

♦ মশারি টানিয়ে ঘুমাবেন। তা দিনেই ঘুমান কিংবা রাতে। অন্তত এই সিজনে অলসতা করে মশারি না টানিয়ে ঘুমানো আপনার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।

♦ কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করুন। ঘুমের সময় না হয় মশারি টানিয়ে ঘুমালেন। কিন্তু ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন অন্য সময়ও। এ জন্য মশারির বাইরে থাকার সময় কয়েল অথবা স্প্রে ব্যবহার করুন।

♦ দিনের বেলা যতটুকু সম্ভব শরীরে ভালোভাবে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করুন। পায়ে মোজা পরতে পারেন।

♦ শিশুদের হাফপ্যান্টের বদলে ফুলপ্যান্ট পরিয়ে রাখুন।

♦ ঘরে মশা ঢোকার প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে জানালায় নেট ব্যবহার করতে পারেন।

♦ জলাবদ্ধতা তৈরি হয় এমন কোনো কাজ করবেন না। অন্যকে করতে দেখলে বাধা দিন।

♦ বাড়ির আশপাশ, ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।

♦ এডিস মশা দিনে, সকাল ও সন্ধ্যায় কামড়ায়। এ জন্য এই সময় বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।

জানেন তো করোনার মতো ডেঙ্গু রোগেরও কোনো প্রতিষেধক নেই। করোনার মতো ডেঙ্গু হলে সুস্থতা নির্ভর করে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর। হাসপাতালে চিকিৎসকরা শুধু সাপোর্টিভ চিকিৎসা দেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা