kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

ওয়ার্দা রিহাবের ছেলে অরণ্য’র রুটিন

৩০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওয়ার্দা রিহাবের ছেলে অরণ্য’র রুটিন

ঘরবন্দি এই সময়ে আমি অরণ্যর জন্য একটা রুটিন ঠিক করে নিয়েছি। ও প্রতিদিন সেই রুটিন মেনে চলছে। আমার মনে হয়েছে প্রি-স্কুলের শিশুদের জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো রুটিন। তবে সেটা ব্যক্তি অনুযায়ী বদলাতেই পারে। আরেকজন তাঁর শিশুর জন্য এই রুটিনে খানিকটা বদল আনতেই পারেন। তবে রুটিন মেনে চলাটা জরুরি।

সারা দিনে অরণ্য যা যা করছে—

 

সকাল

৯টা : ঘুম থেকে ওঠা।

৯টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা : দাঁত ব্রাশ, মুখ ধোয়া, রাতের কাপড় বদলানো।

১০টা থেকে ১১টা : ছড়ার বই পড়তে পড়তে বা বর্ণমালার পাজল খেলতে খেলতে নাশতা করা। নাশতার মেন্যু—কুসুম গরম পানিতে লেবু ও মধু মেশানো। সঙ্গে একটা ডিম সিদ্ধ।

১১টা থেকে ১২টা : ঘরে থেকে খেলা। সঙ্গে রুটি ও এক টুকরো চিজ এবং একটা ফল খাওয়া।

১২টা থেকে ১২টা ৩০ মিনিট : গোসল।

 

দুপুর

১টা থেকে ২টা : ভাত খাওয়া। ভাতের সঙ্গে ডাল, সবজি, মাছ বা মাংস।

২টা থেকে ৩টা : কার্টুন দেখা। মোবাইলে বা টিভিতে। টম এন্ড জেরি ও মিস্টার বিন ওর প্রিয়। সেগুলোই বেশি দেখে।

৩টা থেকে ৫টা ৩০ মিনিট : গল্প শুনতে শুনতে ঘুম।

বিকাল

৫টা ৩০ মিনিট থেকে ৬টা : হালকা নাশতা। ফল, জুস বা অরণ্যর পছন্দের অন্য কোনো খাবার। যেমন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপস, পাস্তা, কেক, বিস্কুট।

 

রাত

৬টা থেকে ৭টা : বাইরে সাইকেল চালানো বা ফুটবল খেলার জন্য সময় রেখেছিলাম। তবে এখন সেটাও বন্ধ রেখেছি। সময়টা ও এখন ঘরেই খেলাধুলা করে কাটাচ্ছে।

৭টা থেকে ৯টা : ছবি আঁকা, ছড়ার বই পড়া। কিংবা বাড়িতে বসেই বিভিন্ন খেলনা দিয়ে খেলা।

৯টা থেকে ১০টা : ভাত খাওয়া। সঙ্গে ডাল, সবজি, মাছ বা মাংস।

১০টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিট : হাত-মুখ ধোয়া। নরম জামা পরা। দাঁত ব্রাশ করা।

১০টা ৩০ মিনিট : গল্প শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা