kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

ইন্টেরিয়র

সদর দরজার সাজ

বাড়িতে ঢুকতেই চোখে পড়ে সদর দরজা। প্রথম দর্শনধারীর সাজটিও চাই বিশেষ। জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইন্টেরিয়র ডিজাইন ডেভেলপমেন্টের (বিআইডিপি) ডিজাইনার নাসরিন চৌধুরী। শুনেছেন এ এস এম সাদ

২০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সদর দরজার

সাজ

একটি সাধারণ বাড়িও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে সদর দরজার সুন্দর সাজে। বাড়ির মানুষের রুচির পরিচয়ও পাওয়া যায়। 

 

থিম ঠিক করুন

প্রথমেই ঠিক করুন সাজ কেমন হবে, ওয়েস্টার্ন না দেশীয়। ছোট জায়গায় দেশীয় থিমে সাজালে ভালো আর বড় জায়গার ক্ষেত্রে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে দেশীয় কিংবা ওয়েস্টার্ন যা-ই হোক না কেন, রুচিসম্মত ডেকরের চিন্তা করুন।

 

ল্যান্ডস্কেপ থিম

সদর দরজার সামনের জায়গা একটু বড় হলে সেখানটা ল্যান্ডস্কেপ থিমে সাজান। কয়েকটা পটারিতে গাছের পাশাপাশি একটা মাটির চাড়িতে পানি রাখুন। তাতে কিছু রঙিন মোম ও ভাসমান ফুল দিন। চাড়ির আশপাশে ছোট-বড় বিভিন্ন আকৃতির পাথর ও ইটের টুকরা রাখুন। মাটি বা ধাতুর দু-একটি মূর্তিও রাখতে পারেন। প্রাকৃতিক আবহ আনতে ছোট্ট একটা ঝরনাও রাখতে পারেন। ল্যান্ডস্কেপের মাঝে মাঝে লুকানো স্ট্যান্ডলাইট বসান।

 

হালকা সাজ

জায়গা ছোট হলে ভারী সাজ এড়িয়ে চলুন। এ ক্ষেত্রে ল্যান্ডস্কেপ করার সুযোগ থাকে না। সদর দরজার পাশে দেয়ালঘেঁষে ছোট-বড় পটারিতে বিভিন্ন ইনডোর প্লান্টস রাখুন। আর মাটির চাড়িতে পানি আর কিছু ভাসমান কৃত্রিম গাছ কিংবা কচুরিপানা। সম্ভব হলে একটি মূর্তি বা ভাস্কর্য রাখুন।

ফ্ল্যাটে দরজা দুটি হলে

অনেক সময় ফ্ল্যাটে দুটি দরজা থাকে। ফলে ল্যান্ডস্কেপ করার জন্য যথেষ্ট জায়গা থাকে না। সে ক্ষেত্রে অব্যবহূত দরজাটি বন্ধ করে দিন। দরজার সামনে একটা বাঁশের চিক ঝুলিয়ে দিন। চাইলে শীতল পাটি বা মাদুরও ব্যবহার করতে পারেন। কাতান পাড় বসিয়ে শীতল পাটি বা মাদুরে ভিন্ন লুক তৈরি করতে পারেন। এবার দরজার সামনের জায়গায় ল্যান্ডস্কেপ করুন। অথবা জায়গা কম থাকলে দরজায় বাঁশের চিক, মাদুর বা পাটি যা-ই দিন তার ওপর কয়েকটি ঝুলন শোপিস সাজিয়ে নিন। পুতুল, মাটির ঘণ্টা, বাঁশি, মুখোশ যা ইচ্ছে সাজান।

 

পেইন্টিং

দরজার পাশের দেয়ালে ছোট ছোট একাধিক পেইন্টিং ঝুলিয়ে দেওয়া যেতে পারে। যদি দরজার পাশের দেয়াল বড় হয়, তাহলে বড় আকারের পেইন্টিং ঝুলিয়ে রাখুন। এ ছাড়া চিত্রকর্ম ঝুলিয়ে দিলেও দরজা আরো সুন্দর দেখাবে।

আয়না

একটা আয়নাও রাখা যেতে পারে। আপনার বাড়িতে ঢোকার আগে অতিথি না হয় আয়নায় একটু নিজেকে দেখে নেবেন। আয়নাটিও হতে পারে বৈচিত্র্যময়। আয়নার ফ্রেম হতে পারে বেত, কাঠ, রট আয়রন কিংবা টেরাকোটার তৈরি। এই ফ্রেমের মধ্যেই রাখতে পারেন ইমিটেশন ফুল কিংবা লতানো গাছ।

 

টব

দরজার দেয়ালের পাশে রাখা যায় নানা ধরনের ছোট গাছের টব। টব রাখতে চাইলে এমন গাছ বেছে নেওয়া উচিত, যাদের সপ্তাহে একবার আলো-বাতাস হলেই চলবে। এ ছাড়া দরজার দুই পাশে গাছের ডালের মতো শোকেসের মধ্যে ছোট টব রাখতে পারেন।

 

ডোরবেল

দরজার প্রবেশ মুখে একটি রুচিসম্মত ডোরবেল দরজার নান্দনিকতা এনে দিতে পারে। তবে ডোরবেল বড় নাকি ছোট মানাবে সেটা দরজার ওপর নির্ভর করবে। 

 

ঘণ্টা

নিজের বাড়ি হলে প্রবেশদ্বারের সামনে একটা বড় ঘণ্টি রাখতে পারেন। লোহারও হতে পারে, আবার টেরাকোটার কাজ করা ঘণ্টিও মন্দ লাগবে না

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা