kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

রূপচর্চা

শিশুর ত্বকের যত্নে

শিশুদের ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল। তাই প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। সে জন্য ব্যবহার করতে পারেন বেবি লোশন। বিস্তারিত জানিয়েছেন শিকদার মেডিক্যাল কলেজের প্রভাষক শাহ নেওয়াজ আনসার। লিখেছেন নাবীল আল জাহান

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিশুর ত্বকের যত্নে

শীতকালে বড়দের তুলনায় শিশুদের ত্বক অনেক দ্রুত শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই বড়দের নয়, ওদের জন্য চাই বেবি লোশন। শীতকালে তো বটেই, ব্যবহার করা যেতে পারে বারো মাসই। সেটা শিশুদের ত্বককে করবে আরো কোমল, নরম ও দীপ্তিময়। তবে খেয়াল রাখতে হবে লোশনের গুণগত মান, মাত্রা আর ব্যবহারবিধির প্রতি। অবশ্যই তা ভালো মানের হতে হবে। লোশন বেছে নেওয়া ভালো বাজারে প্রচলিত নামি ব্র্যান্ডগুলো থেকে।

বেবি লোশন কেনার সময় এ বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে—

♦    লোশনে পানির মাত্রা দেখে নিন। এটা লেখা থাকে ‘পিএইচ’ [ঢ়ঐ] হিসেবে। শিশুদের লোশনে এর মাত্রা ৫.৫-এর মধ্যে থাকাই ভালো।

♦    গ্লিসারিনের পরিমাণ যেন বেশি না হয়, দেখে নিন সেটাও।

♦    বড়দের তুলনায় শিশুদের ত্বকের আবরণ অনেক পাতলা। তাই মাইল্ড লোশন বেছে নেওয়াই ভালো।

♦    খেয়াল রাখুন লোশনে ভিটামিন জাতীয় উপাদান আছে কি না। থাকলে তা উপকারেই আসবে।

♦    সুগন্ধযুক্ত লোশন যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। হালকা সুগন্ধযুক্ত লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে না থাকলে আরো ভালো।

♦    শিশুদের ত্বকে বড়দের লোশন একেবারেই ব্যবহার করা যাবে না। সেগুলোতে চড়া মাত্রায় প্রিজারভেটিভ, পারফিউম ইত্যাদি রাসায়নিক দ্রব্য থাকে। এসব শিশুদের কোমল ও নাজুক ত্বকে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

সব শিশুর ত্বক আবার এক রকম হয় না। তার ভিত্তিতে বাজারে বেশ কয়েক ধরনের বেবি লোশন পাওয়া যায়—মিল্ক-ক্রিম বেইজড, বাটার বেইজড, নেচার, স্কিন টাইপ ইত্যদি। এরমধ্যে আপনার শিশুর জন্য সঠিক কোনটি তা যাচাই করে নিতে হবে। সাধারণত শিশুদের জন্য মিল্ক-ক্রিম বেইজড লোশনই বেশি উপযুক্ত। তবে লোশন ব্যবহারে যদি কোন সমস্যা হয়, প্রদাহ বা র‌্যাশ দেখা দেয়, কিংবা কোন সংক্রমণ হয়, সেক্ষেত্রে লোশন ব্যবহারের জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশুর ত্বকে লোশন ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে ভালো সময় গোসলের পর ও ঘুমানোর আগে। এ ছাড়া লোশন দিয়ে শিশুর ত্বক ম্যাসাজ করা যেতে পারে। তবে তা করতে গিয়ে শিশু যেন ব্যথা না পায়, সেদিকে রাখতে হবে সতর্ক দৃষ্টি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা