kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রূপচর্চা

বাইকারদের চুলের যত্ন

রাস্তার ধুলাবালি, রোদ-বৃষ্টি, আছে হেলমেটও। বাইকারদের চুলের ওপর ধকল একটু বেশিই যায়। তাঁদের চুলের যত্নে করণীয় জানিয়েছেন শোভন মেকওভারের রূপবিশেষজ্ঞ শোভন সাহা। লিখেছেন মোনালিসা মেহরিন

২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাইকারদের চুলের যত্ন

মডেল : মুনেম ও সূচি; ছবি : কাকলী প্রধান

বাইকারদের চুলের সমস্যা গরমের সময় বেশি। শীতের সময় রোদের তেমন ভয় নেই। কিন্তু গরমে হেলমেটের নিচে মাথার ত্বক ঘেমে চুলের সঙ্গে মিশে যায়। মাথার ত্বকের সঙ্গে চুলে তেলচিটচিটে ভাব দেখা দেয়। একে তো বাইক নিয়ে চলাফেরা, তার ওপর ঘাম ও ধুলার প্রকোপ। আছে রোদ-বৃষ্টির হানা। সব মিলে চুলে দ্রুত ময়লা আটকে যায়। দেখা দেয় খুশকি। এ জন্য অন্যদের চেয়ে বাইকারদের চুলের যত্ন নিতে হবে আলাদা করে। তাঁদের সুস্থ ও সুন্দর চুল রাখার সেরা উপায় চুল পরিষ্কার রাখা।

বাইকে হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক। মাথার নিরাপত্তার জন্যও জরুরি। বাইক চালানোর সময় কেউ চুল বাঁধেন, কেউ বাঁধেন না। এটা করা যাবে না। লম্বা চুল ক্লিপ কিংবা ব্যান্ড দিয়ে বেঁধে আটকে দিয়ে হেলমেট পরুন। চুল খোলা রাখলে তাতে ধুলাবালি বেশি জমে। বাইক চালানো শেষে দ্রুত হেলমেট খুলে ফেলুন। গরমে চুল ঘেমে গেলে বাতাসে শুকিয়ে নিন। চুল শুকিয়ে গেলে ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কোনোভাবেই চুল ময়লা অবস্থায় রাখা যাবে না। এতে চুল পড়া, খুশকিসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। বাইকারদের প্রতিদিনই চুলে শ্যাম্পু করা উচিত। অনেকে ভাবেন এতে চুল রুক্ষ হয়ে পড়ে। এটা ঠিক নয়। প্রতিদিন শ্যাম্পু করার ফলে চুলে ময়লা জমতে পারে না। চুলের সমস্যার অনেকটাই কেটে যায়। চুলে শ্যাম্পু করার সময় তাড়াহুড়া করবেন না। সময় নিয়ে শ্যাম্পু করুন। যত ভালোভাবে শ্যাম্পু করতে হবে ঠিক ততটাই ভালোভাবে শ্যাম্পু ধুয়ে ফেলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে শ্যাম্পুর সামান্য ফেনাও যেন চুলে না লেগে থাকে। এরপর চুলে ভালো কন্ডিশনার লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

বাইক চালানোর সময় হেলমেটের নিচে চুল ঘেমে যায়। এই ঘাম মাথায় শুকিয়ে চুলের গোড়ায় চুলকায়। চুলকাতে গিয়ে এবং চুল টানার ফলে গোড়া নরম হয়ে চুল উঠে আসে। এই অভ্যাস পরিহার করতে হবে। তাড়াহুড়া করতে গিয়ে ভেজা চুলে হেলমেট গলিয়ে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন। এতে চুলের আরো ক্ষতি হয়।

বাইকারদের চুলের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে চুলে নিয়মিত পুষ্টির জোগান দিতে হবে। পুষ্টি জোগাতে অয়েল ম্যাসাজ নিতে পারেন। নারকেল, আমলা, আমন্ড, অলিভ, ক্যাস্টর যেকোনো তেল গরম করে ব্যবহার করতে পারেন। বাইকাররা মাসে দুই থেকে তিনবার চুলের যত্নে যেকোনো একটি ঘরোয়া প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। পাকা কলা, টক দই আর লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে ভালো করে চটকে নিন। প্যাকটি চুলে আধাঘণ্টা লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। চুল পরিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে কোমল ও সিল্কি হবে। একটি কাচের পাত্রে এক টেবিল চামচ মধু ও চার টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে চার-পাঁচ ঘণ্টা রেখে দিন। ভালো করে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় পাঁচ-দশ মিনিট ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা