kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ইন্টেরিয়র

মোমবাতির সুগন্ধিতে ভরুক ঘর

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



মোমবাতির সুগন্ধিতে ভরুক ঘর

বিভিন্ন অনুষ্ঠান, উপলক্ষ তো বটেই; এখন শখের বশেও সুগন্ধি মোমবাতিতে ঘর সাজান অনেকে। স্নিগ্ধ আলোর সঙ্গে মিষ্টি সুগন্ধে ভরে ওঠে ঘর । খোঁজ নিয়েছেন আতিফ আতাউর

যতটা না সাজ তার চেয়ে কাজেই বেশি ব্যবহূত হয় মোমবাতি। এ কাজ অন্ধকার তাড়ানো। কাজের সঙ্গে বাহারি সাজের মোমবাতি পাওয়া যাচ্ছিল অনেক দিন ধরেই। এখন তাতে যুক্ত হয়েছে সুগন্ধ। আলোর সঙ্গে ঘরের বাতাসে সুগন্ধ দেবে এই মোমবাতি। দুম করে নিভেও যাবে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মোমবাতির নকশায় যেমন নতুনত্ব এসেছে, বদলেছে এর গুণগত মান। বিভিন্ন আকার ও রঙের বাহারি মোমবাতি পাবেন দোকানে। সাধারণ একরঙা লম্বা মোমের নকশায় এসেছে ভিন্নতা। আজকাল একরঙা মোমের পাশাপাশি লম্বা মোমে বিভিন্ন রং ব্যবহার করে বাড়তি নকশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া গোলাপ, সূর্যমুখীসহ নানা রকম ফুলের আকৃতির মোমের পাশাপাশি স্টার, ফলের আকৃতি, হার্টশেপ, রাউন্ডশেপসহ বিভিন্ন নকশাদার মোম তৈরি করা হচ্ছে। নতুন এসব সুগন্ধি মোমবাতি একবার জ্বালালে ধিকিধিকি জ্বলতে থাকবে সন্ধ্যা পেরিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত।

সুগন্ধি মোমবাতি ব্যবহার করার সময় বিশেষ কিছু বিষয় খেয়াল রাখা দরকার। সুগন্ধি মোমবাতি ডাইনিং টেবিলে ব্যবহার না করাই ভালো। এতে খাবারের গন্ধের সঙ্গে মোমের সুগন্ধ মিশে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বাড়িতে অতিথি এলে ঘরদোরের একটু আলাদা যত্ন-আত্তি নেওয়া প্রয়োজন। বসার ঘরে প্রবেশপথের পাশে ছোট্ট জলাধারে সুগন্ধিযুক্ত ভাসমান মোমবাতি জ্বালিয়ে দিতে পারেন। ঘরে সৌন্দর্য যোগ করার পাশাপাশি ছড়িয়ে দেবে সৌরভ। সুগন্ধিযুক্ত ভাসমান মোমবাতি জ্বালানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন মোমের বেশি অংশ পানিতে ডুবে না যায়। বাড়তি ডেকোরেশনের জন্য ফুলের পাপড়ি ব্যবহার করতে পারেন। এখন কাচের জারের মোমবাতি পাওয়া যায়। এগুলোকে বলা হয় গ্লাস জার মোমবাতি। এগুলো জ্বালানোর জন্য আলাদা করে আর পাত্রের প্রয়োজন পড়ে না। ফলে অনায়াসে গ্লাস জার মোমবাতি পানিতে ভেসে জ্বলতে পারে। নীল, লাল, সাদা, কমলা, সবুজ, বেগুনি, আকাশিসহ বিভিন্ন রঙের সুগন্ধি মোমবাতি কিনতে পাবেন। গোলাপ, জুঁই, ল্যাভেন্ডার, সাইট্রাস, লেমন গ্রাস ও দারুচিনির গন্ধের মোমবাতি থেকে বেছে নিতে পারবেন আপনার পছন্দেরটি। পিলার আকৃতির সুগন্ধি মোমবাতির গোড়ায় রয়েছে শুকনা ফুল ও পাতার সাজ। জার ক্যান্ডেল, পিলার ক্যান্ডেল, বল শেপ, রাউন্ড ক্যান্ডেল, গ্লাস ক্যান্ডেল, টি-লাইট মোমবাতিও পাবেন। এগুলোর সব সুগন্ধিযুক্ত মোমবাতি। ঘরে সহজেই অভিজাত আবহ এনে দেবে এসব মোমবাতি। রকমারি ফুলের নকশায় গড়া এ রকম মোমবাতির আকর্ষণই আলাদা। যেকোনো বিশেষ জায়গাকে বিশেষভাবে সাজাতে এগুলোর জুড়ি মেলা ভার। ব্যালকনি, ছাদসহ অন্যান্য জায়গার জন্য কিনতে পারেন টি-লাইট ক্যান্ডেল। ছোট্ট টিনের ফয়েলে মোড়া এসব মোমবাতি অনেকক্ষণ জ্বলবে। কয়েক ঘণ্টা পর পর একটু নিভিয়ে জ্বালালে এই ক্যান্ডেলের আয়ু হবে বেশ কয়েক দিন। এ ধরনের পারফিউমড মোমবাতি জ্বালালে ঘরে ঢুকলেই একটা মৃদু সুগন্ধে ভরে যাবে মন।

 

কোথায় পাবেন ও দাম

আড়ং, অঞ্জন’সসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও গিফট শপে কিনতে পাবেন সুগন্ধি মোমবাতি। ছোট আকৃতির মোমবাতির দাম ৬০ থেকে ১৫০ টাকা। ৪ থেকে ৮ ইঞ্চি মোমবাতির দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা। ফুল, ফল, জীবজন্তু ও টবের মোমবাতির দাম ৭০ থেকে ২০০ টাকা। টি-লাইট মোমবাতির প্রতি পিস ৩০ টাকা থেকে শুরু। ডেকোরেটিড মোমবাতির দাম একটু বেশি। এগুলো পাবেন ৪০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকার মধ্যে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা