kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ আগস্ট ২০২২ । ১ ভাদ্র ১৪২৯ । ১৭ মহররম ১৪৪৪

শীতের উইকেন্ডে

কাজের ফাঁকে বড় ছুটি না-ই যদি মেলে, তবে সপ্তাহান্তে ধারে-কাছেই চলে যেতে পারেন ঘুরতে। শীতের ছোট ছুটিকে কাজে লাগাতে জানা থাকা চাই গন্তব্য। খোঁজ জানাচ্ছেন সৈয়দ মনিরুজ্জামান

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৬ মিনিটে



শীতের উইকেন্ডে

মডেল : সুরভী ও ইনতিয়াজ, মেকওভার : ভ্যালেন্টিনা, কৃতজ্ঞতা : জিন্দা পার্ক, ছবি : মোহাম্মদ আসাদ

ড্রিম স্কয়ার রিসোর্ট গাজীপুর

সবুজ লতায় জড়ানো বাউন্ডারি এবং সুদৃশ্য গেট পেরোলেই প্রবেশ করবেন অনিন্দ্যসুন্দর এক ভুবনে। ছবির মতো করে সাজানো রিসোর্টের প্রতিটি অংশ। রিসোর্টের প্রধান আকর্ষণ প্রকৃতি। দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির গাছ আছে রিসোর্টে।

বিজ্ঞাপন

মায়াময় সবুজ এক পরিবেশ। আছে নানা প্রজাতির পাখি। গাছে গাছে পাখির বসতি দেখে মনে হবে এ যেন পাখির অভয়ারণ্য। টুইন কেবিন, টেরেস কেবিন, ডুপ্লেক্স কেবিন—তিন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত থাকার জায়গা।

ঢাকা অফিস : ইস্টার্ন ট্রেড সেন্টার, ৫৬ ইনার সার্কুলার রোড (৪র্থ তলা), ঢাকা। ফোন-৯৩৩৪১৪৯, ৯৩৪২২০৩, ০১৭৫৫ ৬০৩৩১০, ০১৭৬৪ ১১৭৭৩৩

রিসোর্ট অফিস : চকপাড়া, অজগিরচলা, মাওনা, গাজীপুর।

ফোন : ০১৭৫৫-৬০৩৩১০, ০১৭৫৫-৬০৩৩১১

ইমেইল : Web Site :www.dremsquareresort.com

 

 

যমুনা রিসোর্ট টাঙ্গাইল

ঢাকা থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরে যমুনা সেতুর পূর্বপ্রান্তে অবকাশকেন্দ্র যমুনা রিসোর্ট। নির্জন, নির্ভৃত পরিবেশে যাঁরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অবকাশযাপন করতে চান যমুনা রিসোর্ট তাঁদের জন্য আদর্শ। যেহেতু যমুনা নদীর তীরেই যমুনা রিসোর্টের অবস্থান, তাই যমুনা নদীর ওপর নির্মিত যমুনা সেতু দেখা, পাশাপাশি যমুনা নদীতে নৌ ভ্রমণের সুযোগ দিচ্ছে যমুনা রিসোর্ট। ৫৬ একর আয়তনের হারবারে রিসোর্টের নিজস্ব জেটি থেকে নৌকা, স্পিডবোট নিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারেন যমুনার বুকে। রয়েছে খেলাধুলার ব্যবস্থা। ফুটবল, ক্রিকেট, বাস্কেটবল, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন—পছন্দ মতো যেকোনো খেলা আপনি বেছে নিতে পারেন। স্পোর্টস ক্লাবে আছে পুল টেবিল, স্নোকার, টেবিল স্নোকার, টেবিল টেনিস এবং জিমে এক্সারসাইজের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা। পার্কে শিশুদের জন্য রয়েছে রাইড। পার্কের ভেতরে আছে ছোট একটি লেক। লেকে আছে প্যাডল বোট।  

যোগাযোগ : প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন (৮মতলা), ২০-২১ কাওরান বাজার, ঢাকা।

ফোন : ৮১৪২৯৭১-৩, ০১৮১৯ ৯৯৪৬২০, ০১৭১৪ ০৪৪৯০

ই-মেইল : [email protected]

ওয়েব : www.jamunaresortbd.com

 

গ্রিনটেক রিসোর্ট গাজীপুর

গাজীপুরের ভবানীপুরে ১৫ একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে গ্রিনটেক রিসোর্ট অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার। ঢাকার বনানী থেকে মাত্র ৪৪ কিলোমিটার দূরে রিসোর্টের অবস্থান। দিনে দিনেই বেড়িয়ে আসা যায় এ রিসোর্ট থেকে। সময় থাকলে কাটাতে পারেন রাতও। রাতের আঁধারে শালবনের রাতজাগা পাখির ডাক আপনার মনে শিহরণ জাগাবে এখানে। রয়েছে খেলার মাঠ। ফুটবল, ক্যারম বোর্ড, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন ইত্যাদি খেলাধুলার সব আয়োজন রয়েছে গ্রিনটেকে। আছে সুইমিং পুল। পুকুরের ওপর আছে সুসজ্জিত কটেজ।

যোগাযোগ, ঢাকা অফিস : ৩১ সেগুনাবাগিচা (৫ম তলা), ঢাকা। ফোন : ০২-৮৩৫৬০৩৭-৩৮, ০১৭১৮ ৭৭৪৭৭৪

রিসোর্ট অফিস : ভবানীপুর, গাজীপুর

মোবইল : ০১৭১২ ৬৬০৭৬০

ই-মেইল : [email protected]

ওয়েব : www.greentechresort.com

 

এলেঙ্গা রিসোর্ট গাজীপুর

রিসোর্টের অবস্থান টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায়। ছবির মতো প্রকৃতির সঙ্গে আছে টলমলে জলের লেক। পাঁচটি লাক্সারিয়াস ভিআইপি কটেজ, ১৯টি এয়ারকন্ডিশন ডিলাক্স রুম, ১২টি ইকোনমি রুম নিয়ে সাজানো হয়েছে এলেঙ্গা রিসোর্টের আবাসন ব্যবস্থা। দেশী ঐতিহ্যবাহী খাবার ছাড়াও পাওয়া যাবে থাই, চায়নিজ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের খাবার। এখানে অতিথিরা টেবিল টেনিস, ক্যারম, ব্যাডমিন্টন, ক্রিকেট, বাস্কেট বলসহ নানা অনেক খেলায় মেতে উঠতে পারেন।

যোগাযোগ : বাড়ি-০৪, রোড-১২, ব্লক-জে বারিধারা, ঢাকা।   ফোন : ৯৮৮৪৩২২,০১৭১৩৩৮১০৩৪,০১৭১৩-৩৮১০৪২

ই-মেইল : [email protected]

ওয়েব : www.elengaresort.com

 

অরুনিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাব নড়াইল

চিত্রা-কাজলা নবগঙ্গা ও মধুমতি নদী বিধৌত নড়াইল ঐতিহাসিক দিক দিয়ে বেশ সমৃদ্ধ। সম্পূর্ণ ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা দেশের একমাত্র অ্যাগ্রো-ইকো ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনকেন্দ্র অরুনিমা, নড়াইলকে দেশজুড়ে পরিচিত করে তুলেছে নতুনভাবে, ভিন্ন মাত্রায়। মধুমতি ও নবগঙ্গা নদীর সংযোগ স্থলে পানিপাড়া গ্রামে ৬০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অরুনিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাব। এখানে নির্মিত হয়েছে হ্যালিপ্যাডও। ইচ্ছা হলে হেলিকপ্টারে করেও রিসোর্টে পৌঁছানো যাবে। অরুনিমায় নির্মাণ করা হয়েছে ৫০টি বিভিন্ন টাইপের কটেজ। কাঠের তৈরি এসব কটেজে রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। এসি, নন-এসি প্রতিটি রুমই রুচিসম্মত আধুনিক আসবাবপত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে। অরুনিমায় রয়েছে দুই রুমবিশিষ্ট একটি ভাসমান কটেজও। এখানে পাওয়া যাবে নানা ধরনের মানসম্মত খাবার। রয়েছে বারবিকিউর ব্যবস্থা। রাজধানী ঢাকা থেকে ফরিদপুর হয়ে ভাঙ্গা ভাটিয়াপাড়া-চন্দ্রদিঘলিয়া হয়ে অরুনিমা ফেরিঘাট পার হলেই এই ইকো পার্ক।

যোগাযোগ : শাহবাজ ট্যুরিজম লিমিটেড, বাড়ি-০১, লেন-১, ব্লক-এ খান-ই-খোদাই রোড, পশ্চিম ভাটাড়া, নতুন বাজার, বাড্ডা, ঢাকা।  

ফোন : ৯৮৯৬৪৫, ০১৭২০ ৫২০৪৭৭।

নড়াইল পানিপাড়া, জয়নগড়, কালিয়া, নড়াইল, ফোন : ০১৭১১ ৪২২২০৩

ওয়েব : www.shabaztourism.com

 

নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট গাজীপুর

তৌকীর আহমদ ও বিপাশা হায়াৎ তাঁদের অসামান্য শিল্পিসত্তা দিয়ে গড়ে তুলেছেন নক্ষত্রবাড়ি। ঢাকা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরত্বে গাজীপুর হয়ে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস পেরোলেই রাজাবাড়ী। ছায়াসুনিবিড় সবুজে ঘেরা চিনাসুখানিয়া গ্রামেই তৌকীর-বিপাশা গড়ে তুলেছেন তাঁদের স্বপ্নের নক্ষত্রবাড়ী। দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা ছাড়াও নক্ষত্রবাড়ীতে রয়েছে সুইমিং পুল। বাচ্চাদের খেলাধুলার জন্য রয়েছে খেলনা। রয়েছে গোছানো আধুনিক রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টে পাওয়া যাবে দেশি-বিদেশি খাবার। রয়েছে কনফারেন্স রুম। পাশাপাশি নক্ষত্রবাড়ীতে রয়েছে ইনডোর-আউটডোর গেমসের সুবিধা, বারবিকিউ ও স্ন্যাকস কর্নার ও জুসবার।  

যোগাযোগ : বাড়ি-৪৫২, নিচতলা, রোড নম্বর-৩১, মহাখালী নিউ ডিওএইচএস, ঢাকা।

ফোন : ৮৭৫২৫৭৩, মোবাইল : ০১৭২৮ ০৮৭৭৮৪     

ই-মেইল : [email protected]

ডবন : www.nokkhottrobari.com.bd

 

যাওয়ার আগে প্রস্তুতি 

♦ এখন শীতকাল। রাতযাপনের পরিকল্পনা থাকলে শীতবস্ত্র সঙ্গে নিতে হবে।

♦ প্রায় সব রিসোর্টেই সুইমিং পুল থাকে, তাই সঙ্গে থাকা চাই সাঁতারের উপযোগী পোশাক।

♦ খেলাধুলার জন্য ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাট, ব্যাডমিন্টন ইত্যাদি সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ভালো।

♦ তোয়ালে, লোশন, সানস্ক্রিন, ফাস্ট এইড, পানির বোতল, ক্যামেরা, চার্জার, পাওয়ার ব্যাংক, টর্চলাইট—এসব প্রয়োজনীয় জিনিস ভ্রমণে গেলে সঙ্গে রাখা উচিত।

 

জরুরি কথা 

♦ শীতকাল ঘুরে বেড়ানোর পিক সিজন। তাই রিসোর্টে রুম পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। আগেভাগে বুকিং কনফার্ম করুন।

♦ খাবারের মেন্যু জেনে নিন।

♦ যারা সাঁতার জানেন না, তাঁরা সুইমিং পুল ব্যবহারে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করুন।

♦ রাতে রিসোর্টের বাইরে গেলে সঙ্গে টর্চলাইট রাখুন।

♦ প্লাস্টিকের প্যাকেট বা বোতল যেখানে-সেখানে ফেলা, ফুল ছেঁড়া, পরিবেশ দূষণ ও জায়গা নোংরা করা থেকে বিরত থাকুন।

♦ লেকে বা পুকুরে বোট রাইড করার সময় লাইফ জ্যাকেট পরে নিন।  

♦ যাত্রাপথে সাবধানে গাড়ি চালান।



সাতদিনের সেরা