kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

গরমের গ্যাজেট

রোদের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। ল   

৪ মে, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



গরমের গ্যাজেট

চার্জার ফ্যান বিভিন্ন ধরনের হয়। কোনোটি দেখতে টেবিল ফ্যানের মতো, কোনোটি সিলিং ফ্যানের মতো। এসব ফ্যানে তিনটি বা চারটি পাখা থাকে। আবার চার কোনা বাক্সের মতো চার্জার ফ্যানও পাবেন। এগুলোতে ফ্যানের সঙ্গে চার্জার লাইটও জুড়ে দেওয়া হয়। অর্থাৎ একের ভেতর দুই। বেশির ভাগ চার্জার ফ্যানেই বিদ্যুৎ ছাড়াই দুই থেকে টানা চার ঘণ্টা পর্যন্ত বাতাস দেয়। ব্র্যান্ড ও ননব্র্যান্ড দুই ধরনেরই পাবেন। রাজধানীর স্টেডিয়াম মার্কেটের তাবাচ্ছুম ইলেকট্রনিকসের বিক্রয়কর্মী জলিল আহমেদ বলেন, বেশির ভাগ চার্জার ফ্যানই চায়নায় তৈরি। পাশাপাশি মালয়েশিয়া, হংকং ও তাইওয়ানের কিছু পণ্য আছে। সাধারণত বছরের এই সময়টাতেই চার্জার ফ্যান ও লাইটের চাহিদা বেড়ে যায়। আলাদাভাবে ফ্যান ও লাইট বিক্রি হলেও একসঙ্গে থাকা চার্জার লাইট ও ফ্যানই বেশি বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন আকারের চার্জার ফ্যান ও লাইটে বাজার সয়লাব। চার্জার ফ্যানগুলো সাধারণত ৮ থেকে ১২ ইঞ্চির হয়। সিলিং চার্জার ফ্যানের চেয়ে টেবিল চার্জার ফ্যানের চাহিদা বেশি। ব্র্যান্ডভেদে ডিজাইনের ভিন্নতা দেখা যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মধ্যে সনি, মিয়াকো, ওয়ান ব্র্যান্ড, ডিভেন্ডার, কনকা, ফিট, সানকা, লুসাই উল্লেখযোগ্য। ব্র্যান্ড ছাড়াও আমাদের দেশে তৈরি ছোট ও মাঝারি আকারের অনেক ননব্র্যান্ডের চার্জার ফ্যান পাবেন। ননব্র্যান্ড হলেও এদের সেবা বেশ ভালো বলেই জানালেন বিক্রেতারা।

ফ্যানের পাশাপাশি চার্জার লাইটের চাহিদাও কম নয়। হাতের মুঠোতেই জায়গা হয়ে যাবে এমন আকার থেকে শুরু করে এক ফুট পর্যন্ত হয় লাইটগুলো। চার কোনা, আয়তাকার, হাতল ছাড়া, হাতলসহ বিভিন্ন ধরনের চার্জার লাইট আছে। সাধারণ চার্জার লাইটের পাশাপাশি আছে এলইডি চার্জার লাইট। সহজে বহনযোগ্য, দীর্ঘস্থায়ী আলো দেয় লাইটগুলো। বাজারে ছোট-বড় অনেক ধরনের এলইডি চার্জার লাইট পাওয়া যায়। এগুলো সাধারণ লাইটের চেয়ে তিন গুণ সময় পর্যন্ত বেশি আলো দেয়। অপেক্ষাকৃত কম সময় নেয় ব্যাটারি চার্জ হতে। ব্যাটারির স্থায়িত্বও সাধারণ লাইটের চেয়ে বেশি।

দরদাম

বিভিন্ন ধরনের ননব্র্যান্ডের চার্জার লাইট পাবেন ৮০ থেকে ৫০০ টাকায়। ব্র্যান্ডের লাইটের দাম ৮০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত হয়। এলইডি চার্জার লাইটের দাম ৫০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা। কম্পানিভেদে দেশি চার্জার ফ্যানের দাম এক হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকা। আর বিদেশিগুলোর দাম পড়বে এক হাজার ২০০ থেকে চার হাজার টাকা। ওয়ান ব্র্যান্ডের চার্জার ফ্যানের দাম দুই থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকা। ডিভেন্ডার চার্জার ফ্যানের দাম এক হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার টাকা। এ ছাড়া কনকা, সানকা, লুসাইসহ বিভিন্ন কম্পানির চার্জার ফ্যানের সঙ্গে লাইট সেট করা আছে, এগুলোর দাম পড়বে এক হাজার ২০০ টাকা থেকে চার হাজার টাকা। মিয়াকো ফ্যানের পাঁচটি ডিজাইন রয়েছে। এ ফ্যানগুলো তিন ঘণ্টা ব্যাকআপ দেয়। দাম পড়বে আড়াই থেকে চার হাজার টাকা।

কোথায় পাবেন

রাজধানীর স্টেডিয়াম মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, পুরান ঢাকার নবাবপুর, চকবাজার ও গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটে পাবেন হরেক ডিজাইন ব্র্যান্ডের চার্জার লাইট ও ফ্যান। চাইলে এখান থেকে পাইকারি কিনতে পারবেন। এ ছাড়া নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি, বিজয় সরণি, মৌচাক মার্কেট, কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুরের টাউন হল মার্কেট ও মিরপুরের ইলেকট্রনিকস দোকানগুলোতেও পাবেন।

টিপস

* কেনার আগে বিক্রয়কর্মীর কাছ থেকে পণ্যের মান, ব্যাকআপ ও নিশ্চয়তা সম্পর্কে অবশ্যই ভালোভাবে জেনে নেবেন।

* বিক্রয়োত্তর সেবা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন। পণ্যের সঙ্গে ওয়ারেন্টি কার্ড থাকলে সেটি যত্ন করে রাখুন।

* প্রথম ব্যবহারের আগে গ্যাজেট ফুল চার্জ দিতে হয়। আপনার গ্যাজেটটি কত ঘণ্টায় ফুল চার্জ হয় সেটাও জেনে নিন। প্রয়োজনীয় সময়ের চেয়ে বেশি বা কম চার্জ হলে গ্যাজেটটির ক্ষতি হতে পারে।

* ব্যাটারি নষ্ট হলে ফেলে না রেখে নতুন ব্যাটারি লাগিয়ে নিন। আরো বেশ কিছুদিন নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারবেন।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা