kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

পথের সঙ্গী...

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যাগ ব্যবহারে যেমন পরিবর্ত   

৪ মে, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



পথের সঙ্গী...

ব্যাগের বৈচিত্র্যের ব্যাপারে সবাই সচেতন। আর এ কারণে ব্যাগের নকশা ও ধরনেও এসেছে পরিবর্তন। ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে বাহারি রং ও নকশার ছোট-বড় ব্যাগের ব্যবহার বেশি চোখে পড়ে। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে বাহারি ডিজাইনের সব ব্যাগ। নিত্য উপহারের কর্ণধার বাহার রহমান বলেন, 'কাপড়ের তৈরি ঝোলা টাইপের ব্যাগের জনপ্রিয়তা কিছুটা বেশি। কাপড়ের ঝোলার পাশাপাশি হাতের ছোট বটুয়া টাইপের ঝোলা ব্যাগও চলছে।'

ফ্যাশন হাউস মায়াসিরের ডিজাইনার মাহিন খান জানালেন, 'কিছুদিন আগেও পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যাগ কেনার প্রবণতা বেশি ছিল। এখন সেই ধারা বদলেছে। পোশাকের রঙের সঙ্গে মানানোর পাশাপাশি এখন কন্ট্রাস্ট ব্যাগ নিতে পছন্দ করেন অনেকে।' সে ক্ষেত্রে জুতা, ঘড়ি বা অন্য কোনো অনুষঙ্গের সঙ্গে মানিয়ে ব্যাগ বাছাই করা যেতে পারে। অনেককে পোশাকের রঙের সঙ্গে না মিলিয়ে বরং পোশাকের কোনো একটি প্রিন্ট বা শাড়ির পাড়ের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যাগ নিচ্ছেন।

লেদার হাউসের ম্যানেজার আরেফিন জানালেন, 'ব্যবহারে আরামদায়ক ও নিজের সঙ্গে মানানসই ব্যাগের প্রতি আগ্রহ ক্রেতাদের। কর্মজীবীদের পছন্দ মাঝারি আকারের চামড়ার ব্যাগ। যেসব ব্যাগে অনেক জিপার থাকে।'

স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা অফিসের পাশাপাশি পার্টিতে ব্যবহার উপযোগী চামড়া, কাপড়, পাট ও বিভিন্ন উপাদানের ব্যাগ পাওয়া যাচ্ছে। একটু বড় বেল্টের মাঝারি আকারের ব্যাগের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। এগুলো দেখতে ফ্যাশনেবল, ব্যবহারও সুবিধাজনক। ইডেন কলেজে ফিন্যান্স বিভাগে চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী জান্নাতুল নাঈম এ্যানি বললেন, 'ক্লাসে যাওয়ার সময় একটু বড় আকারের ব্যাগ বেশি পছন্দ। এ ক্ষেত্রে বেল্টের দিকে বিশেষ নজর দিতে হয়। কারণ ক্লাসে বই নিতে হয়, তাই বেল্ট ভালো না হলে কাঁধে বেশি চাপ পড়ে। আবার অনেক সময় বেশি বই নিতে মাঝেমধ্যে ব্যাগপ্যাকও বেছে নিই।'

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্রী ইশরাত জাহান বললেন, 'পার্টি বা কোনো অনুষ্ঠানে শাড়ি পরলে সঙ্গে ছোট আকারের ব্যাগ, ক্লাচ বা বটুয়া নিয়ে যাই। আর্টিফিসিয়াল লেদারের ব্যাগগুলো যেমন বিভিন্ন নকশায় ও রঙে পাওয়া যায়; বিভিন্ন রঙের ব্যাগ নিজের কালেকশনে রাখতে ভালোই লাগে।'

বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে একটু বড় আকারের পার্টি ব্যাগ ও ক্লাচ বেশ জনপ্রিয়। বড়, ছোট কিংবা মাঝারি ধরনটা যেমনই হোক না কেন, ব্যাগের নকশায় বা আকারে থাকছে নানা বৈচিত্র্য। কোনো ব্যাগ হচ্ছে ত্রিভুজ আকারের বা গোলাকার। কোনোটিতে আছে চৌকোনার নানা ধরন। টোটি, ন্যাপস্যাক, মেসেঞ্জার নামে পরিচিত এই ব্যাগগুলোতে থাকছে উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার। বিভিন্ন নকশায় চামড়ার ওপর পাথর ও মখমলের কাজ করা পার্টি ব্যাগ বেশ চলছে। ছোট ক্লাচ ব্যাগগুলোতেও পাথর আর পুঁতির ব্যবহারে আনা হচ্ছে আভিজাত্যের ছোঁয়া। এ ছাড়া হাতে এমব্রয়ডারি করা পুঁতি বসানো, কাপড়ের ওপর পুঁতির কাজ করা, লেইস, চুমকি, শীতল পাটি, পাট ও জুয়েলারি স্টোনের পার্টি ক্লাচও পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড-কোচ, মাইকেল করস, শ্যানেল ইত্যাদির রেপ্লিকা ব্যাগগুলোও বেশ জনপ্রিয়। বিক্রেতা আরেফিন জানান, ম্যাজেন্টা, হলুদ, গোলাপি, নীল, কালো, সবুজ, কমলা-সব রংই চলছে বেশ। অ্যানিমেল প্রিন্ট, পোলকা ডট, মাল্টি কালার ইত্যাদি ব্যাগের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণীদের আগ্রহ বেশি। রঙিন পার্স বিশেষ করে হলুদ, কমলা, সবুজ, সোনালি ও সাদা পার্সের চাহিদা বেশি।

সারা দিন স্বাচ্ছন্দ্যে কাটানোর জন্য লম্বা বেল্টের ক্রস ব্যাগগুলোই বেশি আরামদায়ক বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী আনিকা ফারনাজ আহমেদ। দাওয়াত বা বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, উপলক্ষটা যা-ই হোক না কেন, স্ট্রাকচারড ব্যাগগুলো মানিয়ে যাবে সব পরিবেশে। শাড়ির সঙ্গে যেমন, তেমনি পশ্চিমা পোশাকেও ভালো লাগবে এই ব্যাগগুলো। অফিস শেষে হয়তো ছুটতে হবে কোনো পার্টিতে। সে ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন এনভেলপ আকারের ক্লাচ ব্যাগগুলো। এ ধরনের ব্যাগের সুবিধা হলো এর লম্বা বেল্টটা কাঁধে ঝুলিয়ে নিয়ে যেমন অফিসে দৌড়ানো যায়, তেমনি অফিস শেষে বেল্টটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিলেই পার্সের মতো ব্যবহার করা যায় ।

কর্মজীবীদের জন্য অফিস ব্যাগ অনেকটা প্রিয় বন্ধুর মতো। কারণ এই ব্যাগেই থাকে প্রয়োজনীয় নানা উপকরণ। অফিসের জন্য চাই মানানসই ও স্মার্ট অফিস ব্যাগ। খুব বড় বা ছোট নয়। সহজে বহন করা যায় এমন। অফিসের ব্যাগ কেমন হবে, সেটা যার যার ব্যক্তিত্ব ও পোশাকের ওপর নির্ভর করে। এ প্রসঙ্গে ফ্যাশন হাউস মায়াসিরের ডিজাইনার মাহিন খান আরো বলেন, 'চাইলে হালকা রঙের পোশাকের সঙ্গে উজ্জ্বল রঙের ব্যাগ, আবার উজ্জ্বল পোশাকের সঙ্গে হালকা রঙের ব্যাগও ব্যবহার করতে পারেন। একটু আলাদা গড়নের ও উজ্জ্বল রঙের চমকদার ব্যাগ ব্যবহার করেও নজর কাড়তে পারেন সবার। তবে অফিসে বেশি কারুকাজ করা এবং খুব রংচঙের ব্যাগগুলো না নেওয়াই ভালো। এটি অন্যদের চোখে দৃষ্টিকটু হতে পারে।' বাজারে কাপড় ও চামড়ার দুই ধরনের অফিস ব্যাগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব ব্যাগে সাধারণত তিনটি চেম্বার ও দুই থেকে শুরু করে পাঁচ-ছয়টি পকেট থাকে। পকেটের হাফ ও ফুল ঢাকনাও থাকে। এ ছাড়া ফোল্ডিং অফিস ব্যাগও রয়েছে। ফোল্ডিং ব্যাগের বিশেষ সুবিধা হলো এসব ব্যাগে প্রয়োজনীয় ফাইল ও ল্যাপটপ রাখার জন্য আলাদা চেম্বার থাকে। ফলে অফিসে ল্যাপটপ বহন করতে চাইলে আলাদা ব্যাগ নেওয়ার ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে। রাজধানীর নিউ মার্কেটের সাগরিকা ট্রাভেলসের বিক্রয়কর্মী মো. দিপু জানান, অফিস ব্যাগের মধ্যে অ্যালেস, উবি গেইটস, ইকোলাক, উলভকিং, নেইরাডো, লা প্লাজিট লেদার, পোর্টেবল, ট্রাইরল, স্টার ড্রাগন ব্যান্ডের ব্যাগ সবচেয়ে বেশি চলছে।

কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাসে একগাদা লেকচার শিট আর বই-খাতা বহনের জন্য এখন বেশ বড় ব্যাগই বহন করতে দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়-পড়ুয়াদের। মাঝে সাইড ব্যাগ খুব জনপ্রিয়তা পেলেও এখন সবার দুই বেল্টের ব্যাগই বেশি পছন্দ। পিঠে নেওয়ার পর কোমরের সঙ্গেও আঁটসাঁট করে বাঁধা যায় এসব ব্যাকপ্যাক। পলিয়েস্টার বা কাপড়ের হালকা ধরনের ব্যাকপ্যাক ব্যাগও অনেকে ব্যবহার করেন। ব্যাকপ্যাক ব্যবহারে পিছিয়ে নেই চাকরিজীবীরাও। কারণ এতে খুব সহজেই বহন করা যায় ল্যাপটপ কিংবা অফিস ফাইল। তা ছাড়া ভ্রমণে বিশাল ট্রলি ব্যাগ ও ভারী হ্যান্ড ব্যাগের পরিবর্তে পিঠে ঝোলানো ব্যাগ ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন অনেকে। এসব ব্যাগের সুবিধা হলো ওজনে এটি হালকা ও একসঙ্গে অনেক অপশন এতে আছে। এসব ব্যাগের মধ্যে কাপড় দিয়ে তৈরি ব্যাগের দামটা হাতের নাগালে থাকায় এর চাহিদা বেশি। তরুণদের কথা চিন্তা করে দারুণ সব ব্যাগপ্যাক তৈরি করছে ফ্যাশন হাউস ফোর ডাইমেনসন। এসব ব্যাগের নকশায় আমরা প্রকৃতি, পরিবেশ ও দেশীয় সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। ব্যাকপ্যাকের ক্ষেত্রে অ্যাডিডাস, সেইন্ট ঈগল, এইচপি, ক্যামেল মাউন্টেন ইত্যাদি ব্র্যান্ড জনপ্রিয়। সেইন্ট ঈগলের এক স্ট্রাইপযুক্ত কাঁধে নেওয়ার ব্যাগের বেশির ভাগই গ্যাবার্ডিন কাপড়ের। ভেতরে ওয়াটারপ্রুফ কাপড় লাগানো থাকে। এ ছাড়া অনেক পকেটের ব্যাগও নানা ডিজাইনে পাওয়া যাচ্ছে।

কোথায় পাবেন ও দামদর

উপাদান, কাপড় ও মানের ওপর নির্ভর করে ব্যাগের দাম। মানভেদে চামড়ার ব্যাগের দাম পড়বে এক হাজার থেকে সাত হাজার টাকার মধ্যে। দেশীয় ফ্যাশন হাউস আড়ং, নিত্য উপহার, ফোর ডাইমেনশনস, ভার্টিকেলে পাবেন কাপড়ের ব্যাগ ও পার্স। এসব ব্যাগের দাম শুরু ৫৫০ টাকা থেকে। আর পার্সের দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৬৫০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া আড়ং ও নিত্য উপহারে পাটের তৈরি ছোট হাতলের ব্যাগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব ব্যাগের দাম শুরু সাড়ে ৪০০ টাকা থেকে।

পিংক সিটিতে পাওয়া যাবে কম্বোডিয়া ও হংকং থেকে আমদানি করা গুচি, বারবেরি, ভারসাচে, মাইকেল কোরস ইত্যাদি ব্র্যান্ডের ব্যাগ। ব্র্যান্ড ও আকারভেদে এসব ব্যাগের দাম পড়বে ছয় হাজার থেকে ২২ হাজার টাকা।

নীলক্ষেতের রাফিনা এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার আবদুর রহিম জানান, আমাদের ব্যাগগুলো প্রধানত রেঙ্নি ও অন্যান্য উপাদানে তৈরি। এসব ব্যাগের দাম পড়বে ৩৫০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে। গাউসিয়া মার্কেটের উদয়ন ব্যাগ হাউসের বিক্রেতা আজাদ জানান, এই মার্কেটে সাড়ে ৩০০ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে ব্যাগ পাওয়া যায়।

বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক চাঁদনী চক, নিউ মার্কেট ও পিংক সিটির বিভিন্ন ব্যাগের দোকানে জুয়েলারি স্টোনের কাজ করা পার্টি ও ক্লাচ ব্যাগের দাম শুরু ৫০০ টাকা থেকে। এনভেলপ ক্লাচ ব্যাগগুলো পাবেন এক হাজার ৩০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায়, আর এক হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যেই মিলবে অন্য নকশার ব্যাগগুলো। এসব মার্কেটে বিভিন্ন ধরনের অফিস ব্যাগ পাবেন ৫০০ থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যে। এর মধ্যে অ্যালেস ব্যাগ ৭০০ থেকে ৮০০, উবি গেইটস ছোট সাইজ ৬০০, ইকোলাক ফুল ফোল্ডিং এক হাজার ১০০, উলভকিং লেদার ৭০০, উবি গেইটস হাফ ফোল্ডিং মাঝারি ৭০০ থেকে এক হাজার, নেইরাডো লেদার এক হাজার ৩০০, লা প্লাজিট লেদার ৯০০ থেকে এক হাজার ১০০, পোর্টেবল ৭০০ এবং স্টার ড্রাগন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে।

স্ট্রাইপযুক্ত গ্যাবার্ডিন কাপড়ের ব্যাকপ্যাকের দাম পড়বে ৭৫০ থেকে ৯০০ টাকা। এ ছাড়া ক্যামেল, ডিজেল ব্র্যান্ডের ব্যাগ ৪৫০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে পাওয়া যায়। নিউ মার্কেট ছাড়াও ডাবল লেয়ারযুক্ত ব্যাগ পাবেন গাউছিয়া ও চাঁদনী চকে। প্লাস্টিকের রিবন বা বিড দিয়ে হাতে তৈরি ব্যাগ পাওয়া যায় নীলক্ষেতের রাফিন প্লাজায়। আজিজ মার্কেটের ফোর ডাইমেনশনস ও গ্রাসহোপার্সে বিভিন্ন ধরনের বাকপ্যাক পাবেন ৫০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া বিক্রয় ডটকম, এখানেই ডটকম, ওএলএক্সিডিসহ বিভিন্ন সাইটেও ঢুঁ মেরে দেখে নিতে পারেন আপনার চাহিদামতো ব্যাগ।

খেয়াল রাখুন

* আপনার বেশির ভাগ পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহার করা যায়-এমন রঙের ব্যাগ নির্বাচন করুন। এতে প্রয়োজন পূরণের পাশাপাশি স্টাইলিশ থাকতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কালো বা বাদামি রং বেছে নিতে পারেন।

* ব্যাগটি ওয়াটারপ্রুফ কি না দেখে নিন।

* ব্যাগের চেইনগুলো ঠিকমতো কাজ করছে কি না দেখে নিন।

* অফিস ব্যাগটি হওয়া উচিত কিছুটা বড় ধরনের। কারণ অফিসের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তো নিতে হবেই, সঙ্গে বাড়তি কোনো টিফিন ক্যারিয়ার যদি না নিতে চান, তবে ব্যাগে টিফিন বক্সটি রাখতে পারেন-এমনভাবে ব্যাগ নির্বাচন করুন।

* অনেক বেশি পকেট আছে-এমন ব্যাগ নির্বাচন করুন। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নির্দিষ্ট একেকটি পকেটে রাখতে পারবেন। এতে ব্যাগের ভেতরে ছোটখাটো কোনো জিনিস খুঁজে পেতে অনেক সুবিধা হবে।

* এমন ব্যাগ নির্বাচন করুন, যা ওজনে হালকা কিন্তু মজবুত।

* অফিস কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যাগ নির্বাচনের আগে দেখে নিন ব্যাগের হ্যান্ডল ছোট-বড় করা যায় কি না। কেননা, ব্যাগ ভারী হয়ে গেলে বহনে অনেক অসুবিধা হয়। কিন্তু ব্যাগের হ্যান্ডেল ছোট-বড় করার পদ্ধতি থাকলে আপনার সুবিধা হবে। আপনি হাতে ব্যাগ নিতে না পারলে ব্যাগের হ্যান্ডেল বড় করে কাঁধে ঝুলিয়ে নিতে পারবেন।

 

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা