kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

ডায়েট

পুষ্টির পুঁই

আখতার নাহার আলো

প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা ইব্রাহিম মেমোরিয়াল হাসপাতাল   

৩০ জুন, ২০১৪ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুষ্টির পুঁই

পুঁইশাক

অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

পুষ্টিসমৃদ্ধ পুঁইশাকে রয়েছে ভিটামিন বি, এ, সি এবং ক্যালসিয়াম ও লৌহ। সারা বছর পাওয়া গেলেও বর্ষাকালেই বেশি পাওয়া যায়। পুঁইশাক দুই রকমের। সবুজ রঙের গাছের বোটানিক্যাল নাম ব্যাসিলা এলবা লিন আর লাল রঙের গাছের ব্যাসিলা রুবরা লিন। দুটোর স্বাদও আলাদা।

কী আছে

১০০ গ্রাম পুঁইশাকে আছে ২.২ গ্রাম আঁশ, ৪.২ গ্রাম শর্করা, ১৬৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১০ মিলিগ্রাম লৌহ, ক্যারোটিন (ভিটামিন-এ) ১২৭৫০ মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন-সি ৬৪ এবং ক্যালরি ২৭। অন্যান্য শাকের তুলনায় সহজলভ্য ও দামে কম। সুতরাং পুঁইশাক খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখা ভালো।

উপকারিতা

* পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যআঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, দেহের বর্জ্য সুষ্ঠুভাবে বের করতে সাহায্য করে।

* শাকের ভিটামিন-এ এবং সি, ত্বকের রোগজীবাণু দূর করে ত্বক ভালো রাখে।

* চোখের পুষ্টি জোগায় ও চুল মজবুত করে।

* যারা নিয়মিত পুঁইশাক, বিশেষ করে আঁশজাতীয় শাক খান, তাদের পাইলস, ফিস্টুলা ও হেমোরয়েড (পায়ুপথের রোগ) হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

* পুঁই পাকস্থলী ও কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

* পুঁই রক্তে চর্বির পরিমাণ বাড়তে দেয় না।

* নতুন দাঁত বের হয়েছে এবং খিচুড়ি খেতে পারে, এমন বয়সের শিশুদের জন্য পুঁইশাক ও সবজি দিয়ে খিচুড়ি যথেষ্ট পুষ্টিকর।

* দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।

ভেষজগুণ

* শুকনা পুঁইপাতা ও ডাঁটা পুড়িয়ে সেই ছাই দিয়ে দাঁত মাজলে পাইরিয়া রোগে সুফল পাওয়া যায়।

* পাকা পুঁই পাতার রস খেলে রক্ত স্বল্পতায় উপকার পাওয়া যায়।

* সর্দি হলেও পুঁইশাকের রস উপকারী।

কারা খাবেন না

পুঁইশাক গুরুপাক খাবার, তাই যাদের আমাশয় এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে তাদের না খাওয়াই ভালো। খেলে সামান্য।

 

 



সাতদিনের সেরা