kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

কুর্তিতে ফুর্তি

ফ্রক স্টাইলের স্লিভলেস কিংবা লম্বা কামিজের মতো ঢিলেঢালা- বেছে নিন আপনার কুর্তিটি। আবহাওয়া উপযোগী রং, ডিজাইন মিলিয়ে নিন। সঙ্গে পছন্দমতো লেগিংস। জানাচ্ছেন মেহেদী উল্লাহ   

৩০ জুন, ২০১৪ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কুর্তিতে ফুর্তি

মডেল : রিজা পোশাক : নগরদোলা, সাজ : হারমনি স্পা, ছবি : কাকলী প্রধান

গরমে তরুণীর পছন্দের পোশাক তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে লং কামিজের মতো লম্বা কিংবা ফ্রক স্টাইলে একটু ছোট আকারের কুর্তি। পরতে আরাম আর জাঁকজমক কম। দারুণ ফ্যাশনেবল এসব কুর্তি সব জায়গায় মানানসই।

এই সময়ে হাতাকাটা

গরমে অনেকেই বেছে নেন হাতাকাটা পোশাক। তাই সুযোগে ফ্যাশন হাউসগুলোও এনেছে বাহারি হাতাকাটা কুর্তি। নগরদোলার প্রধান নির্বাহী ও ফ্যাশন ডিজাইনার আলী আফজাল বলেন, 'এই গরমে লেগিংসের সঙ্গে হাতাকাটা কুর্তি বেশ স্বস্তি দেবে। থ্রি-কোয়ার্টার ও ফুলহাতার কুর্তিও আছে। তবে বেশি চলছে হাতাকাটা। আবার কেউ চাইলে থ্রি-কোয়ার্টার হাতাকেও ভাঁজ করে স্লিভলেস বানিয়ে নিতে পারেন। স্লিভলেস কুর্তি দেখতে অনেকটাই শার্টের মতো।' কুর্তি তৈরিতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে কটনকে। রঙের ক্ষেত্রে পিঙ্ক, পার্পেলসহ হালকা রংগুলো বাছাই করা হয়। এ ছাড়া সুতি কাপড়ের ওপর ব্লকপ্রিন্ট, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিনপ্রিন্ট ও হালকা সুতার কাজ থাকছে। কোথাও কোথাও লেস, বোতাম, ইয়োক দিয়ে বাড়তি বৈচিত্র্য আনার চেষ্টাও চোখে পড়ে।

গরমে সাদাই উত্তম। সাদার পাশাপাশি গোলাপি, জলপাই সবুজ, আকাশি, হালকা হলুদ, ঘিয়ে, হালকা ম্যাজেন্টা, হালকা নীল, ফিরোজা, হালকা সবুজ, পেস্ট ধরনের উজ্জ্বল কিন্তু হালকা রংগুলো বেছে নেওয়া যেতে পারে। সঙ্গে রঙিলা লেগিংস।

লম্বা ও ঢিলেঢালা

লং কামিজের মতো লম্বা আর ঢিলেঢালা কুর্তিও এখন অনেকের পছন্দ। সুতি কিংবা লিনেন কাপড়ের হওয়ায় কুর্তিগুলো পরেও আরাম। এগুলোর সামনের দিকটায় থাকে এক রঙের কোনো কাপড় আর পেছনের দিকটায় জবরজং প্রিন্টের কাপড়। হাইনেক কলার ও ফুল স্লিভ কিংবা থ্রি-কোয়ার্টার হাতার কুর্তিগুলোর জমিনজুড়ে থাকে নানা মোটিফ।

এ ছাড়া আলাদা করে চোখে পড়ে বোতামের ব্যবহার। নিচের অংশের কাটও ব্যতিক্রমী। গোলাকার, নৌকা, ভি ইত্যাদি কাট ব্যবহৃত হয়েছে। আবার গোলাকার হলেও সামনের অংশের চেয়ে পেছনের অংশ খানিক নামানো কাটিংও আছে। কিছু কিছু কুর্তির ঘেরে ব্যবহার করা হয়েছে লেস। এ ধরনের কুর্তিও পরা হচ্ছে লেগিংস দিয়ে। এই কুর্তির সঙ্গে পরতে পারেন এক রঙের কিংবা শেডের কোনো ওড়না। কুর্তির কাপড়ের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে বাছাই করুন ওড়নার শেড।

বানিয়ে নিতে চাইলে

সাড়ে তিন হাত বহরের দেড় গজ একরঙা কাপড় আর দেড় গজ কোনো ম্যাচিং প্রিন্টের কাপড় কিনে দর্জিকে দিয়ে দিন। আপনার পছন্দমতো কুর্তি হয়ে যাবে তাতে। গাউসিয়া, চাঁদনী চক, বনানী সুপার মার্কেট, পিঙ্ক সিটি, মৌচাকসহ বিভিন্ন শপিং মলে পাবেন এমন গজ কাপড়। গজপ্রতি দাম পড়বে ২০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। বিভিন্ন ডিজাইনের লেসও পাবেন এখানে। গজপ্রতি দাম ১০ থেকে ৩৫০ টাকা। লেসগুলো গলা, হাতা কিংবা ঘেরে বৈচিত্র্য আনবে। এ ছাড়া আজকাল বোতাম ব্যবহার করেও ডিজাইন করা হচ্ছে কুর্তিতে। পছন্দমতো বোতামও পাবেন মার্কেটগুলোতে। গাউসিয়া, চাঁদনী চক, বনানী সুপার মার্কেট, পিঙ্ক সিটিতে ভালো বোতাম পাবেন। কুর্তি বানাতে দর্জির মজুরি লাগবে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা।

কোথায় পাবেন ও দরদাম

কুর্তি পাবেন ফ্যাশন হাউস আড়ং, নগরদোলা, রঙ, আবর্তন, কে-ক্র্যাফট, অন্যমেলা, জেন্টল পার্ক, ফ্রিল্যান্ডসহ কমবেশি সব ফ্যাশন হাউসের শোরুমে। এ ছাড়া নিউ মার্কেট, গাউসিয়া, মৌচাকসহ বিভিন্ন মার্কেটেও পাবেন। ফ্যাশন হাউসে দাম পড়বে ৭৯০ থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত। খোলাবাজারে মিলবে হাজার টাকার ভেতরে।



সাতদিনের সেরা