kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

আ. লীগের বেশির ভাগ নেতাকর্মী বিদ্রোহীর পক্ষে

ময়মনসিংহের ত্রিশাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ ও ত্রিশাল প্রতিনিধি   

২৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ময়মনসিংহের ত্রিশালে চতুর্থ ধাপে আগামী ৩১ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনে এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইকবাল হোসেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন সরকার।

এদিকে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামী লীগের স্থানীয়  বেশির ভাগ প্রবীণ ও প্রভাবশালী নেতা অবস্থান নেওয়ায় নৌকার প্রার্থী বেশ বেকায়দায় আছেন। এর মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ এন এম শোভা মিয়া আকন্দ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নবী নেওয়াজ সরকার, ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র এ বি এম আনিছুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলে রাব্বী, যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল হক সবুজসহ দলের প্রথম সারির বেশির ভাগ নেতাই বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। এর বিপরীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য রুহুল আমিন মাদানী ও তাঁর অনুসারীরা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কেউ নৌকার পক্ষে মাঠে নামেনি।

উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যারা দলের জন্য কাজ করছে, তারা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে মতিন সরকারকে মাঠে নামিয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক সবুজ বলেন, নিজের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন কারণে দলীয় নেতাকর্মীরা এমপির প্রতি ক্ষুব্ধ। তা ছাড়া যিনি নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগে তাঁর কোনো ভূমিকা নেই। তাই দলের নেতাকর্মীরা বিদ্রোহী প্রার্থীর আনারসের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল মতিন সরকার বলেন, ‘দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধে প্রার্থী হয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি। জীবনের শেষ পর্যন্ত দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকতে চাই। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিপুল ভোটে নেতাকর্মীরা আমাকে নির্বাচিত করবেন বলে আমি আশাবাদী।’

তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইকবাল হোসেন দাবি করেন, দিন দিন নৌকা প্রতীকের মাঠ ভালো হচ্ছে। নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা